মূক এবং বধির এক বৃদ্ধকে বাশ দিয়ে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে। গত ২৪ ঘন্টা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় ঐ বৃদ্ধের।মৃত বৃদ্ধর পরিবার প্রতিবেশী সুবাস দাসের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে দেগঙ্গা থানার বেড়াচাপা ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ইয়াজপুর দাসপাড়ায়। পুলিশ সুত্রে জানা গেছে মৃত বৃদ্ধের নাম বিশ্বনাথ দাস(৬০)। অভিযুক্ত ব্যাক্তি পলাতক।তার খোজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।


মৃত ব্যাক্তি কথা বলতে পারেন না।ইশারা করেন।সেক্ষেত্রে কি এমন ঘটনা ঘটল যার জন্য বাশ দিয়ে পিটিয়ে মারতে হল মূক,বধির বৃদ্ধকে।এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে দেগঙ্গার ইয়াজপুর দাসপাড়ায় থাকেন মূক এবং বধির বৃদ্ধ বিশ্বনাথ দাস ওরফে বিশু।পরিবার সুত্রে জানা গেছে তিনি জন্ম থেকে বোবা এবং কালা।তার এক ছেলে,এক মেয়ে।বিশ্বনাথ দাস মাঠে কাজ করেন।


একমাত্র ছেলে বাসুদেব বেড়াচাপা বাজারে একটা দোকানে কাজ করেন।গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্বনাথ বাড়ি থেকে বাজারে যাচ্ছিলেন।রাস্তায় আচমকাই প্রতিবেশী পেশায় ভ্যানচালক সুবাস দাস বাশ নিয়ে চাড়াও হন তার উপর।অভিযোগ এলোপাথারি বাশ দিয়ে সে মারধর করে বিশ্বনাথকে।বাশ দিয়ে সজোরে মাথায় আঘাত করতেই রাস্তার ধারে লুটিয়ে পড়েন বৃদ্ধ।


বিষয়টি নজরে আসতেই এলাকার লোকজন ছুটে আসেন।জখম বৃদ্ধকে দ্রুত নিয়ে আসেন দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।এর মধ্যেই মওকা বুঝে পালিয়ে যায় সুবাস। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিশ্বনাথকে স্থানান্তরিত করা হয় বারাসত হাসপাতালে। 



অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায়  পরে সেখান থেকেও  তাকে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে।টানা ২৪ ঘন্টার বেশি সময় মৃত্যুর সাথে লড়াই করে শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয় মূক এবং বধির বৃদ্ধ বিশ্বনাথ দাসের।