গত কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টিতে বেড়েছে গঙ্গার জলস্তর। বৃহস্পতিবার সকালে গঙ্গার জলে ভাসলো হাওড়ার ১নং জেটি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই গঙ্গায় জল বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার সকালে জোয়ারের সময় জল উঠে যায় এক নম্বর জেটিতে। তবে এদিন লকডাউন থাকায় ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। তাই বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত জেটির দু'দিকের দুটি অংশ জলে ডুবে ছিল।
খবর পেয়ে মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা হাওড়া জেটি পরিদর্শন করে যান। এদিকে হাওড়ার পাশাপাশি রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি হুগলির খানাকুল এবং পশ্চিম মেদিনীপুর ঘাটাল ও দাসপুরে। একই পরিস্থিতি হাওড়া উদয়নারায়নপুর, গাদিয়াড়ায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতভর বৃষ্টিতে রূপনারায়ণের জলস্তর বেড়ে বিপত্তি দেখা দেয় হুগলির খানাকুলে। খানাকুলের বেশ কিছু অংশ জলের তলায় চলে গিয়েছে।
কয়েকটি বাঁধে ফাটল ধরেছে। একই অবস্থা পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের একাংশে জল ঢুকেছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে, ঝাড়গ্রাম এর একাংশেও প্লাবনের পরিস্থিতি। রাজ্য সড়কে নদীর জল উঠেছে। ডুলুং নদীর জলে প্লাবিত হয়েছে বেশ কিছু এলাকা। আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য তৈরি রাখা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে।
এছাড়া ত্রানের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বাঁধ গুলির ফাটল মেরামতির কাজ শুরু করেছে সেচ দপ্তর। যে সমস্ত সেতু গুলিতে ধস নেমেছে সেগুলির পরিদর্শনে গিয়েছেন ইঞ্জিনিয়াররা।

0 Comments