স্পেশাল ট্রেন। রওনা হল আসামের ডিব্রুগড় এর উদ্দেশ্যে। মঙ্গলবার দুপুরে ট্রেনটি মালদহ স্টেশনে পৌঁছায়। ১ হাজার ১০০ জন শ্রমিক চেন্নাই থেকে বাড়ি ফিরছেন। লকডাউনের জন্য তারা চেন্নাইতে আটকে ছিলেন। ট্রেনটি মালদহ স্টেশনে পৌঁছালে রেলের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে খাবারের প্যাকেট এবং পানীয় জল দেওয়া হয়। ট্রেন থেকে কাউকে নামতে দেওয়া হয় নি। উল্লখ্য এই ট্রেনে মালদার কোন শ্রমিক ছিলেন না।সকলেই আসাম রাজ্যের।
রেশন দোকানের " ই পি ও এস " মেশিন থেকে মালের রসিদ না বেড়নোকে ঘিরে বালুরঘাট শহরের চকভৃগু এলাকায় একটি রেশন দোকানে উত্তেজনা। খবর পেয়ে খাদ্য দফতরের পাশাপাশি থানা থেকে পুলিশ আসে ঘটনাস্থলে।যদিও বালুরঘাট চকভৃগুতে অবস্থিত ওই রেশন দোকানের মালিক শংকর পালের দাবি মেশিন খারাপের বিষয়টি তিনি আগেই খাদ্য বিভাগে দরখাস্ত করে জানিয়েছিলেন।পাশাপাশি তিনিই খরিদ্দারদের ঝামেলা থেকে বাচতে নিজেই পুলিশ ও খাদ্য বিভাগ কে জানিয়েছিলেন।
গতকাল সন্ধ্যের মুখে বালুরঘাট শহরের চকভৃগু এলাকায় অবস্থিত ওই রেশন দোকানে রেশন সামগ্রী নিতে যান ওই এলাকার এক গ্রাহক অভিরুপ সরকার। তার অভিযোগ তিনি রেসহন সামগ্রী নিতে গিয়ে দেখেন রেশন দোকানের " ই পি ও এস " মেশিন থেকে কোনরুপ রসিদ বেড়চ্ছে না। এই নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানান। এই নিয়ে সাময়িক উত্তেজনা দেখা দেয়। এরপরেই দেখি পুলিশ ও খাদ্য দফতরের লোকজন আসে। তারপর তাকে রেশন থেকে সামগ্রী দেওয়া হয়।পুলিশ তিনি ডাকেন নি রেশন মালিক ডেকেছিল বলে তিনি জানান।
অপরদিকে জেলা খাদ্য দফতরের চিফ ইনেসপেক্টর সুভাষ চন্দ্র রায় জানান মেশিন খারাপ থাকায় মেশিন থেকে মেমো না বের হওয়ায় এবং তাকে হাতে লেখা রসিদ দেওয়ায় ওই গ্রাহক রেশন দোকানের মালিকের সাথে ঝগড়া করতে থাকে। খবর পেয়ে তারা রেশন দোকানে আসেন। তবে সঠিক মাল তিনি পেয়েছেন।
যদিও এলাকাবাসির অভিযোগ এই লকডাউনের মধ্যে নানা দিকে রেশন নিয়ে ঝামেলা চলছে। সেখানে গ্রাহকরা তাদের খাদ্য সামগ্রী বুঝে নিতে এই " ই পি ও এস " মেশিন থেকে বের হওয়া রসিদ থেকে তাদের নায্য সামগ্রী পেয়ে সন্তুষ্ট হয়ে থাকে।কিন্তু সেই মেশিন যদি খারাপ থাকে তাহলে এই নিয়ে তো গোলমালের আশংকা থেকেই থাকে।
বালুরঘাট মাতৃসদনে খোলা হয়েছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। বালুরঘাট পৌর হাসপাতাল বা মাতৃসদনে কোয়ারেন্টাইন খোলা নিয়েই গয়কাল রাত থেকে চলছে বিক্ষোভ। ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় কোয়ারেন্টাইনে খোলা নিয়ে বুধবার ফের সকলে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে আসে পুলিশ। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
কোরোনা মোকাবিলায় দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। আর এই লকডাউনের ফলে সমস্যায় পড়েছে সাধারণ মানুষ। আজ ৫০ দিনে পড়ল লকডাউন। খেটে খাওয়া মানুষদের পরিবারে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। এমত অবস্থায় তারা বিদ্যুৎ বিল বহন করবে কি করে। তাই পশ্চিমবঙ্গে তিন মাসের বিদ্যুৎ বিল মুকুবের দাবিতে ফের আন্দোলনে নামল বিজেপি। বুধবার দুপুরে বালুরঘাট বিদ্যুৎ দফতরের সামনে তিন মাসের বিল মুকুবের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভে বসে বিজেপি। এদিনের এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। এছাড়াও ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি বিনয় কুমার বর্মণ, সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার, বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য নীলাঞ্জন রায় সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্বরা। এদিন বালুরঘাটের পাশাপাশি জেলার অন্যান্য ব্লক্র বিদ্যুৎ দফতরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসে বিজেপি।
বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে সাধারন বন্দিদের সাথে মানসিক ভার সাম্যহীন বন্দিদের রাখার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করল সাধারন বন্দিদের আত্মীয়রা।যদিও কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার কর্তিপক্ষ এই নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ।তবে এব্যাপারে দক্ষিন দিনাজপুর জেলা শাসক নিখিল নির্মলের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বিষয়টি সম্বন্ধে অবগত নন বলে জানান।
বালুরঘাট সংশোধনাগার পরিষেবার মহানির্দেশক অফিস সূত্রে খবর কেন্দ্রীয় সরকারের গাইড লাইন মেনে বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনারে আগত নতুন বন্দীদের ১৪ দিন করোয়াইন্টানে রাখার নির্দেশ প্রেরণ করা হয়েছে সংশোধনাগার পরিষেবার মহানির্দেশকের অফিসের পক্ষ থেকে। নির্দেশকে কার্যকর করতে বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষও সংশোধনাগারে আগত নতুন বন্দীদেরকে আলাদা আলাদা ঘরে করোয়ান্টান করে রাখার ব্যবস্থা শুরু করে। সূত্র মারফৎ এও খবর শুধু গত ৪-ই মে থেকে গত ১০-ই মে অবধি বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে আগত নতুন বন্দীর সংখ্যা ৪২। জানা গেছে সরকারি নির্দেশ পালনে খামতি না রেখে আগত নতুন বন্দীদের করোয়াইন্টানে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ঘরের সংখ্যা কম থাকায় বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ সংশোধনাগারের একাধিক ওয়ার্ড ফাকা করে আগত নতুন বন্দীদের করোয়াইন্টানে রাখার ব্যবস্থা করেছে।
অপরদিকে বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার বন্দীদের পরিবার আত্মীয় স্বজনদের অভিযোগ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের প্রেরিত নির্দেশ কার্যকর করতে গিয়ে বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের কর্তিপক্ষ মানসিক ভারসাম্যহীন বন্দীদের ওয়ার্ড খালি করে সেই ওয়ার্ডে নতুন বন্দীদের করোয়াইন্টান করে রেখেছে। অপরদিকে পর্যাপ্ত ঘরের অভাবে বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের মানসিক ভারসাম্যহীন ওয়ার্ডে থাকা ১৩ জন মানসিক ভারসাম্যহীন বন্দীদের বর্তমানে রাখা হয়েছে সাধারণ বন্দীদের সাথেই বলে ওই সাধারন বন্দিদের পরিবারের আত্মীয়স্বজনের অভিযোগ । তাদের দাবি অবিলম্বে জেলের ভেতরে থাকা তাদের পরিবার পরিজনদের মানসিক ভারসাম্যহীন বন্দিদের সাথে না রেখে আলাদা জায়গায় রাখার ব্যবস্থ্যা করা হোক। প্রয়োজনে জায়গা যখন রয়েছে তখন অন্য ঘর তৈরি করে সেখানে মানসিক ভারসাম্যহীন বন্দিদের সরিয়ে রাখার ব্যবস্থ্যা করুক কর্তিপক্ষ।
এদিকে জেল সুত্র মারফ্যত জানা গেছে বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন বন্দী সংখ্যা ৫৪৭। যাদের মধ্যে রয়েছে ৫০৪ জন পুরুষ, ৪৩ জন মহিলা বন্দী এবং ১০ জন শিশু রয়েছে।
যদিও এই বিষয়েও মুখে কুলু এটেছে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। গোটা বিষয়টি সম্পর্কে এদিন বন্দীদের পরিবারের পরিবারের সদস্যরা প্রশ্ন তুলে বলেন মুম্বাই অর্থার রোড জেল-এ কোভিড-১৯ সংক্রমণের মত যদি এখানে ঘরের অভাবে বন্দীদের মধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণের মত কোন ঘটনা ঘটে তাহলে তার দার কে নেবে।
ময়দানে নেমে করোনা যুদ্ধে লড়াই করা জেলার স্বাস্থ্য কর্মী যোদ্ধাদের শংসা পত্র দিয়ে সম্মান জানালো দক্ষিন দিনাজপুর জেলা প্রশাসন।আজ জেলা প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্যমে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকগন তাদের হাতে এই শংসা পত্র তুলে দেওয়ার পাশাপাশি হাত তালি দিয়ে তাদের কঠিন লড়াইয়ের প্রতি উৎসাহ প্রদান করেন।
করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে সামনের সারিতে থেকে যোদ্ধার মতো লড়াই করছে স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিশেষত আশাকর্মী, এএনএম কর্মীরা একদম ময়দানে দাঁড়িয়ে করোনা রোগী সনাক্তকরণ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করা পর্যন্ত সমস্ত কাজই করছেন নিষ্ঠার সাথে তারা। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত স্বাস্থ্য কর্মীদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। আজ ১৫ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে টোকেন হিসেবে এই সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় আগামী দিনে জেলার সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতে সার্টিফিকেট পৌঁছে দেওয়া হবে। করোনা যুদ্ধে সামনের সারিতে থাকা জেলার স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতে জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে জেলার মানুষ।
এইকারনে আজ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই করোনা যোদ্ধাদের সম্মানিত করবার উদ্যোগ নেওয়া হয়। আজ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রশাসনিক ভবনে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিনিধিদের সম্মানিত করার মধ্যে দিয়ে জেলার সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মান জানাল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জেলাশাসক নিখিল নির্মল, মালদা রেঞ্জের ডিআইজি প্রসূন ব্যানার্জি, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার দেবর্ষি দত্ত, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তথ্য সংস্কৃতি আধিকারিক শান্তনু চক্রবর্তী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।
করোনা লকডাউনের মধ্যে এক রিক্সা চালকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার।এই ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের মহেন্দ্রগঞ্জ এলাকায়। আত্মঘাতী ব্যক্তির নাম গোপী সাহা (৪০), পেশায় রিক্সা চালক।এদিন স্থানীয় বিড়ি ফ্যাক্টারি পিছনে আম গাছে ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়।গাছের নিচেই রাখা ছিলো তার রিস্কা।স্থানীয় সুত্রে জানাজায় গোপীর নিজের কোন বাড়িঘর নেই। বাবা-মা সহ এক দাদার মৃত্যুর পর রিক্সা চালিয়ে নিজের খাবার জোটাতো এই যুবক।খবর দেওয়া হয় কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশকে। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায় এবং ঘটনার তদন্তে নেমেছে।স্থানীয় লোকেরা মনে করেছে লকডাউনের কারনে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।
অপরদিকে কালিয়াগঞ্জ পুরসভার পুরপ্রধান কার্তিক চন্দ্র পাল জানান,খাদ্যের অভাবে সে মৃত্যু পথ বেছে নেয়নি অন্য কোন কারন হতে পারে।কারণ পুরসভা সহ স্থানীয় ক্লাব গুলি থেকে ত্রান দেওয়া হয়েছে।ময়না তদন্তের পরেই আসল বিষয় উঠে আসবে।
হাসপাতালে মহিলা সাফাই কর্মীকে বেধড়ক মারধোর করার পাশাপাশি ঘরের জিনিসপত্র ভাংচুর চালানোর অভিযোগ উঠলো স্থানীয় তিন যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপার চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার মহারাজা এলাকায়। এই ঘটনায় ওই তিন যুবকের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ওই মহিলা।
পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ থানার মহারাজা এলাকায় বাসিন্দা কৃষ্ণাদাস রায়ের পাশের বাড়িতে বুলবুল রায়ের একটি বাঁশ চলে আসে কৃষ্ণাদেবীর বাড়িতে। ওই বাশঁটিকে কাঁটার জন্য বারংবার বলা সত্যেও বুলবুল সেই বাঁশটিকে কাঁটছে না। বুধবার কৃষ্ণাদেবী রায়গঞ্জ হাসপাতালে সাফাই এর কাজ করে বাড়ি আসলে বুলবুলকে বাঁশটি কাঁটতে বলে। তখন বুলবুল কৃষ্ণাদেবীকে গালাগালি করলে দুজনের মধ্যে গন্ডগোল শুরু হয়। বুলবুল ও তার ভাই টুলটুল রায় ও বুলবুলের বন্ধু বিপ্লব রায় এরা তিনজন মিলে কৃষ্ণাদেবীকে বেধড়ক মারধোর করে ঘরের জিনিসপত্র ভাংচুর চালাই চলে অভিযোগ। অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয় মানুষেরা কৃষ্ণাদেবীকে তড়িঘড়ি মহারাজা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। কৃষ্ণাদেবী অবস্থা অবনতি হওয়া চিকিৎসক তাকে রায়গঞ্জ মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এই ঘটনায় ওই তিনজনের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কৃষ্ণাদেবী। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সৎকারের জন্য বাইরে থেকে মৃতদেহ আনায় স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখাল বালুরঘাট খিদিরপুর শশ্মান চত্বরে। বুধবার বিকেলে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হওয়ায় তপনের এক ব্যক্তির মৃতদেহ সৎকারের জন্য খিদিরপুর বৈদ্যুতিক চুল্লিতে নিয়ে আসে পুলিশ। বিষয়টি নজরে আসতেই মৃতদেহ সৎকারে বাধা দেয় স্থানীয়রা। এরপর স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখায়। এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বালুরঘাট থানার পুলিশ। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছেন তারা।

0 Comments