জাতীয় সরোবর পুরুলিয়ার সাহেব বাঁধে মাছের মড়ক দেখা দিয়েছে। মাছ মরে গিয়ে পচন শুরু হয়েছে, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। মরা মাছের সঙ্গে মদের বোতল দূষণ বাড়িয়ে তুলছে পুরুলিয়া শহরের প্রাণ কেন্দ্র এই জাতীয় সরোবরে।  পথচারীদের অভিযোগ প্রশাসনের নজরদারি না থাকাতেই এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।  পুরুলিয়া পুর সভা এই সরোবরের দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে। আপতকালিন পরিস্থিতিতে এই সরোবরের জল পুরুলিয়া পুর  এলাকায় জল সরবরাহ হয়ে থাকে। সেই কথা ভেবেই দ্রুত এই নিবারণ শায়েরের জল দূষণ মুক্ত করার দাবি তুলছে পুরুলিয়া শহরবাসি।




কেমন আছেন মৃৎশিল্পীরা। পাল পাড়ায় এই সময় কাজের জন্য ভিড় থাকে প্রচুর প্রতিমার জন্য অর্ডার আসে প্রচুর। কিন্তু করোনাভাইরাস এজের লকডাউন চলছে তাই নেই কোনো প্রতিমার অর্ডার। চিন্তার মাথায় হাত মৃৎশিল্পীদের। বাসন্তী প্রতিমা অন্নপূর্ণা প্রতিমা ও শিবচতুর্দশী প্রতিমা নিয়ে যায়নি অর্ডার দেওয়ার পরও লকডাউন এর ফলে। দুর্গাপুজোর এখনো অনেক দেরি কিন্তু এখন থেকেই অর্ডার আসতে শুরু করে কিন্তু এবারে নেই কোন অর্ডার। মৃৎশিল্পীরা জানাচ্ছেন এখনো অনেক দেরী পুজো কিন্তু লকডাউন এর ফলে অনেক প্রতিমা অর্ডার দেওয়ার পরও নিয়ে যায়নি তাই ভরসা পাচ্ছেন না দুর্গাপুজোর প্রতিমা বানাতে।  কিছু সরকারি সুবিধা এই চলছে ওদের জীবন। ধার করে জিনিসপত্র কিনে চলছে জীবন যাপন। কবে উঠবে লকডাউন সেটাই এখন প্রশ্ন।


কোচবিহারের জেলার হেড পোস্ট অফিসে নিজেদের উদ্যোগে তৈরি করা হচ্ছে স্যানিটাইজার কোচবিহার হেড পোস্ট অফিস তাদের তত্ত্বাবধানে কিন্তু সেখানে কর্মীরা সুরক্ষিত ভাবে পরিষেবা দেওয়ার জন্য চাহিদা অনুযায়ী তৈরি করে স্যানিটাইজার গুলো বিভিন্ন ব্রাঞ্চে বিলি করেন বলে জানালেন পোস্ট অফিসের আধিকারিক কোচবিহারের মধ্যে প্রায় ৩১৩ টি ব্রাঞ্চ রয়েছে এবং ৪৯ টি পোস্ট অফিস রয়েছে এখানে এই থেকে নিজেদের উদ্যোগে স্যানিটাইজার তৈরি করে সরবরাহ করা হবে এছাড়াও যারা ডাকসেবক রয়েছেন সকলকে  এই নিজস্ব উদ্যোগে তৈরি স্যানিটাইজার দেওয়া হবে বলে জানালেন কোচবিহার হেড পোস্ট অফিসের এক আধিকারিক। নিজেদের উদ্যোগে তৈরি স্যানিটাইজার সকলকে সুরক্ষিত রাখার জন্য সুষ্ঠু সুরক্ষিত  পরিষেবা দেওয়ার জন্য এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।


 চাল, ডাল, আলু, পিঁয়াজ এই প‍্যাকেজ নিয়েই দুস্থদের বাড়ি বাড়ি ছুটছেন রাজনৈতিক দলের কর্মী থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য প্রায় সকলেই। কিন্তু শুধু এগুলিতে কী সংসার চলে? মাছ, মাংস না হোক সামান্য সবজি ছাড়া তাঁরা খাবেন কী? সেকথা ভেবে অভিনব ব্যবস্থা নিলেন কল্যাণী শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরূপ মুখোপাধ্যায়। ১ নম্বর ওয়ার্ডে খুললেন ‘বিনামূল‍্যের বাজার’। আজ থেকে টানা ১০দিন চলবে এই বাজার।
টাকাকড়ি লাগবে না। ওয়ার্ডের বাসিন্দারা শুধুমাত্র একটি ব‍্যাগ সঙ্গে আনবেন। আনলেনও। বাজারে যেমন পছন্দমতো সবজি কেনেন ঠিক তেমনই ব‍্যাগ ভরে বাজার করলেন। বিনা খরচে বাজার! খুশি এলাকার বাসিন্দা। কী নেই সেখানে? চা, চিনি, চাল, আটা, সুজি, বিস্কুট, লবণ, তেল, মশলা, আলু, পিঁয়াজ, ও সবজি রয়েছে প্রায় সব কিছুই। আর সবই মিলল বিনামূল্যে। একটি টাকাও খরচ করতে হচ্ছে না। এই লকডাউনের বাজারে আমজনতার রুটিরুজি যেখানে বন্ধ হওয়ার উপক্রম সেখানে বিনা পয়সায় জিনিস পেয়ে কার মুখে না হাসি ফোটে?
প্রায় ১০০০ পরিবার বিনামূল্যে বাজার করছে এখানে। লকডাউনের মধ্যে বিনামূল্যে বাজার চালু করে এই সংকটের সময় নজির গড়েছেন অরূপ মুখোপাধ্যায়। ওই বাজার বসে নদীয়ার কল্যানীর ১নম্বর ওয়ার্ডের অশোক চক্র মাঠে। ওই বাজার পরিদর্শনে যান ১নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা কল্যাণী পুরসভার চেয়ারম্যান সুশীল কুমার তালুকদার।  দুস্থদের সাহায্য করার এই অভিনব উদ্যোগ দেখে তিনি খুশি। । কারণ, লকডাউনের বাজারে ১০০০ পরিবারের হাতে কুড়ি রকমের জিনিস বিনামূল্যে তুলে দেওয়া চাট্টিখানি কথা নয়!



জঙ্গলের হরিণ লোকালয়ে 

 বকখালির জঙ্গল থেকে বেরিয়ে গ্রামে ঢুকে পড়লো একটি হরিণ। স্থানীয় বাসিন্দারা হরিণটিকে উদ্ধার করে তুলে দেন বনদফতরের হাতে। বনকর্মীরা এদিনই সেটিকে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেন জঙ্গলে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জ এলাকায় ।
হরিণ টি বকখালির জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সোজা ঢুকে পড়ে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার বকখালির লক্ষ্মীপুরের জনবসতি এলাকায়। ওই এলাকার কয়েকটি কুকুর হরিণটিকে তাড়া করে। কুকুরদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে হরিণটি উর্ধশ্বাসে ছুটতে ছুটতে পড়ে যায় একটি পানাপুকুরে। সেইসময় সেখানে মাছ ধরছিলেন স্থানীয় যুবকেরা । হরিণটিকে পুকুরে পড়ে যেতে দেখা মাত্রই তাঁরা পানাপুকুর থেকে হরিণটিকে উদ্ধার করে এনে প্রাণে বাঁচান। এরপর খবর দেওয়া হয় বনদফতরে। খবর পাওয়ামাত্রই বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে হরিণটিকে নিয়ে যান। তাকে সেবাশুশ্রূষা করে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলেন তাঁরা। ফ্রেজারগঞ্জ বনবিভাগের রেঞ্জ অফিসার সুবোধ সরকার জানিয়েছেন, হরিণটি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকায় এদিনই তাকে বকখালি জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয় । হরিণটিকে প্রাণে বাঁচাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচেষ্টাকে অশেষ সাধুবাদ জানিয়েছেন বন দপ্তরের রেঞ্জ অফিসার ।


মঙ্গলবার সকাল ৭টা নাগাদ  পাঁড়ুই থানার কসবা পঞ্চায়েতের শিবরামপুরে মাঠে প্রাতকৃত সারতে এসে সাবমার্শিবল মেশিনের বিদ্যুৎএর তারে পৃষ্ট হয়ে মারা গেলেন এক বৃদ্ধা। গ্রামবাসীদের থেকে জানা গিয়েছে তার নাম গীতা মাল, বয়স ৬৫ বছর। তড়িঘড়ি গ্রামের বাসিন্দারা বিদ্যুৎ এর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় তবু তাকে বাঁচানো যায় নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌছয় পাঁড়ুই থানার পুলিশ। গ্রামবাসীরা পুলিশ কে দেহ নিয়ে যেতে বাঁধা দেয়। বিদ্যুৎ দপ্তরকে ঘটনাস্থলে আসতে হবে ও ঘটনার মীমাংসা করতে হবে এই দাবী জানাতে থাকেন তারা। বেশ কিছু ক্ষন পরে পুলিশ দেহ নিয়ে যায়। তার পর গ্রামের পরিস্থিতি শান্ত হয়।


জল জমি জঙ্গল নিয়ে ওদের জীবন ধারণ। প্রকৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ওদের জীবন জীবিকা। করোনাভাইরাস এর জের লকডাউন চলছে তাই ওদের জীবন-জীবিকাও থমকে আছে। কেউ শাল পাতা তৈরি করে কেউ পাতা দিয়ে অলংকার তৈরি করে জীবন ধারণ করেন, আবার কেউ পদ্ম চাষ করে পদ্মপাতা থালা তৈরি করে জীবিকা অর্জন করেন। লকডাউন এ ফলে ভাটা পড়েছে তাদের জীবন-জীবিকাজীবন-জীবিকায়। সোনাঝুরি হাট ই ছিল তাদের রুজি রোজগারের উপায় সেটিও বন্ধ। সরকারি সুযোগ সুবিধা পেলেও সংসার চলছে না ওদের। একবেলা খেয়ে দিন কাটছে আদিবাসীদের। শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি পল্লীর আদিবাসী পাড়ায় তাই বিষন্নতার ছবি। কবে স্বাভাবিক হবে সেটাও জানেনা ওরা। সংকটের মধ্যে দিয়েই জীবন চলছে আদিবাসী পাড়ায় মানুষজনের।

কোচবিহার বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের ফের চমক কদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি  এঁকে সবাইকে অবাক করে দিয়েছিলেন  এবার নিজস্ব উদ্যোগে নিজের তৈরি স্যানিটাইজার চেম্বার তৈরি করে সকলকে অবাক করে দিলেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক মেক ইন ইন্ডিয়া এই স্লোগানে হেলো স্বল্প খরচে কিভাবে তৈরি করা যায় এমনটাই করে দেখালেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বিজেপি সাংসদ তিনি বার্তা দিয়েছেন বর্তমান পরিস্থিতিতে স্যানিটাইজার  চেম্বার তৈরি করে কিন্তু স্বল্প খরচে নির্মাণ করা যায় যা তিনি নিজে তৈরি করে দেখিয়ে দিলেন।


এখনো হুঁশ ফেরেনি সাধারণ মানুষজনের। খোলা দোকানপাট। দিব্যি বাজার করছেন মানুষজন। নেই সোশ্যাল ডিসটেন্স।



মালদায় করোনা আক্রান্ত ১৯ 
জেলার মানিকচক, রতুয়া, কালিয়াচক, পুরাতন মালদা হরিশ্চন্দ্রপুর ছাড়াও হবিবপুর ব্লকে আক্রান্তের সন্ধান মেলায় চিন্তায় প্রশাসন

এবারে মালদার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ল করোনা । গতকাল রাতে নতুন করে আক্রান্ত ৬ জন পরিযায়ী শ্রমিকের, পুরাতন মালদার -২, হবিবপুর -১, কালিয়াচক-১, মানিকচক -১ এবং হরিশ্চন্দ্রপুর-১ জন।
অর্থাৎ, জেলায় এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯
এদের মধ্যে হরিশ্চন্দ্রপুর এই আক্রান্ত হয়েছেন ১১ জন।

শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন থামলো বর্ধমান স্টেশনে। ট্রেনটি চেন্নাই থেকে গুহাহাটি যাবে। এদিন ট্রেনটি বর্ধমান স্টেশনে দশ মিনিটের জন্য থামে গার্ড ও চালক বদল হয়।তবে কোন যাত্রী ওঠা বা নামা হয় নি ট্রেন থেকে। এই শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে পূর্ব ভারত অর্থাৎ মনিপুর, মেঘালয় ও আসামের বহু যাত্রী আছেন। তাঁরা জানান কোন ভাড়া লাগে নি।পানীয় জল বা খাবারও যথেষ্ট পরিমাণে তাঁদের আছে।তাঁরা বাড়ি ফিরতে পেরে খুবই খুশী।


নদীয়ার চাপড়ার বিভিন্ন জায়গায় ভিখারীর বাড়ীতে ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দিলো তৃণমূল কংগ্রেস। এই ত্রাণ পেয়ে খুশি ভিক্ষুকরা। 
লক ডাউনের পর থেকে শোচনীয় অবস্থা ভিকুকদের। সঞ্চিত অর্থ শেষের পথেক্স ভিক্ষুকরা জানান, লক ডাউন হওয়ার পির তাঁদের অবস্থা শোচনীয়। টাকা নেই, খাবার নেই। জঙ্গলের শাক, কচু খেয়েই দিন কাটাতে হচ্ছে। অবশেষে আমরা ত্রাণ পেয়ে খুশি। 
তৃণমূলের তরফ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরেই অনাহারে এঁরা ছিলেন। এঁদের হাতে ত্রাণ তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনেও এদের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হবে।
লক ডাউন এর জেরে রোজগার হীন হয়েছেন অনেকেই। কেউ পেয়েছেন ত্রাণ আবার কারোর ঘরে পৌঁছায়নি ছিটে ফোটাও। সেই নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ ও হয়েছে বিস্তর। তবে শোচনীয় অবস্থা ভিক্ষুকদের। না পাচ্ছেন বেরোতে আর কেউ কেউ বেরোলেও জুটছে না কিছুই। খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাঁদের। ফলে অনাহারে, অর্ধাহারে কাটাতে হচ্ছে তাঁদের। চাপড়ার ভিক্ষুকরা আজ সেই খাদ্যসামগ্রী পেয়ে তাঁদের মুখে ফুটেছে হাসি।


রাস্তায় নেমে ট্রাফিক পুলিশের স্বাস্থ্য ও সমস্যা নিয়ে খোঁজ নিলেন বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার রশিদ মুনির খান। ঢালাই ব্রীজ থেকে শুরু করে কামালগাজি মোড়, মহামায়াতলা, রাজপুর সহ বিভিন্ন মোড়ে রাস্তায় নেমে তিনি ট্রাফিক পুলিশের কর্মীদের সাথে কথা বলেন ও তাদের হাতে জল ও গ্লুকোন ডি র প্যাকেট তুলে দেন। প্রত্যেকেই যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডিউটি করেন সেই বিষয়ে সকলকেই সচেতন করেন তিনি। 


বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ ব্লকের কনুটিয়া গ্রামে পুলিশ কে ঘিরে বিক্ষোভ পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর। গ্রামবাসীদের দাবি  পরিযায় শ্রমিক দের ঘরে ফেরাতে হবে সেই দাবি নিয়ে রাস্তা অবরোধ।


ফের করোনার থাবা টিটাগড়ে। এবার আক্রান্ত ৩৭ বছরের মহিলা স্বাস্থ্য কর্মী। তিনি টিটাগড় পৌরসভার ২০ নম্বর ওর্য়াডের বাসিন্দা। তিনি বি এম আর সি হসপিটালে ডায়ালিসিস বিভাগে আয়ার কাজ করতেন। গোটা এলাকা সিল করে চলছে স্যানিটাইজিং এর কাজ। বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।


রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও যুব নেতাকে নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর মন্তব্য,  তৃনমুলের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার যুবক ।
করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও যুব নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে  কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন এক যুবক।  আজ ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার বড়জোড়া থানার পখন্না গ্রামে।  অভিযুক্ত যুবকের নাম বলরাম প্রামানিক।  তৃনমুলের দাবি বড়জোড়া থানার পখন্না গ্রামের বাসিন্দা বলরাম প্রামানিক বিজেপি র আই টি সেলের কর্মী। তৃনমুলের অভিযোগ ওই  বিজেপি কর্মী মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কুরুচিকর মন্তব্য করে সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে বেড়াচ্ছিল।  বিষয়টি সামনে আসতেই  জেলা পরিষদের স্থানীয় কর্মাধ্যক্ষ সুখেন বিদ ও তৃনমুলের বড়জোড়া ব্লক সভাপতি অলোক মুখার্জী বলরাম প্রামানিকের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক ভাবে  বড়জোড়া থানায় লিখিত অভিযোগ জানান।  লিখিত অভিযোগ পেতেই বড়জোড়া থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।  বিজেপি অবশ্য ওই যুবককে তাদের দলের কর্মী বলে মানতে নারাজ। 
কোচবিহারে রেশন দোকানে এবার নিম্নমানের আটা দেওয়ার অভিযোগ উঠল। নাটাবাড়ির বিধায়ক তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ  এই অভিযোগ পাওয়ায় সেখানে উপস্থিত হন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী সত্যতা স্বীকার করেছেন ডিস্ট্রিবিউটর তারা কিন্তু এরকম নিম্নমানের আটা সরবরাহ করেছেন এখানে ডিলারের কোন দোষ নেই আঠা গুলো জলে ভিজিয়ে টানলে লম্বা হয়ে যাচ্ছে রুটি তৈরি করা যাচ্ছে না অবিলম্বে যাতে এই নিম্নমানের আটা সরবরাহ বন্ধ রেখে ভালো আটা সরবরাহ করা হয় ডিস্ট্রিবিউটদের  পক্ষ থেকে এই আবেদন জানানো হয়েছে।  এমনটাই উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানিয়েছেন  গ্রামবাসীদের অভিযোগ সত্য তিনি জানিয়েছেন এই নিম্নমানের আটা খাবার অযোগ্য অবিলম্বে ভালো আটা দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।



দক্ষিণ 24 পরগনার বজবজ থানার অন্তর্গত, 
 বজবজ শ্যামপুর গভারমেণ্ট কোয়ার্টারের বাসিন্দা প্রদীপ তেওয়ারি দুই ছেলে তার 2 ছেলে হুগলি নদীতে স্নান করতে নেমে নদীর জলে ডুবে মৃত্যু হলো ঘটনাটি ঘটে আজ ভোড়ে । প্রদীপ তেওয়ারি হাওড়ার জুটমিলের কর্মী,2 ছেলে বাবাকে সাইকেলে করে লঞ্চ ঘাটে ছাড়তে আসে ।মিলের লঞ্চটি চলে যাওয়ার পর 2 দুই স্নান করতে নেমে নদীর জলে তলিয়ে যায় । বজবজ থানার পুলিশ দীর্ঘ 3-4 ঘণ্টার প্রচেষ্টায় দেহ উদ্ধার করে হুগলি নদী থেকে,  এই ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে । মৃত 2 ভাইয়ের নাম 1) প্রিজুস তেওয়ারি (18) আমন তেওয়ারি (15) দুই ভাই স্কুল ছাত্র ।

লকডাউনের কারণে সিউড়িতে আটকে পড়া প্রায় 120 জন শ্রমিককে  প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর পাঠানো হচ্ছে নিজের জেলায় | এই সমস্ত শ্রমিকরা বীরভূমের সিউড়ী মহকুমার ভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ছিলেন | হটাৎ লকডাউন হয়ে যাওয়ার কারণে আর যেতে পারেননি তারা | কর্মহীন হয়ে পড়লেও বাধ্য হয়েই বীরভূমে থাকতে হচ্ছিলো তাদের | নিজের জেলায় ফেরার জন্য মহকুমা শাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন তারা | অবশেষে আবেদন  মঞ্জুর করে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আজ তাদের নিজের জেলায় ফেরানোর জন্য উদ্যোগ নেন মহকুমা শাসক |


পরিযায়ী শ্রমিকরা বিজেপির সঙ্গেই আছেন। তাঁদের ফেরত আসা নিয়ে বাধা দিচ্ছেন মমতা। ৮৫ শতাংশ খরচ দিচ্ছেন কেন্দ্র। ১৫শতাংশ খরচ করবে রাজ্য । সেই খরচ দিতে অস্বীকার করছেন মমতা। এমনি অভিযোগ তুলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানালেন রানাঘাট লোকসভার বিজেপি সংসদ জগন্নাথ সরকার।



আউল- বাউলের দেশ এই বীরভূম।  রয়েছে হাজার হাজার বাউল ও লোক শিল্পী স্বাভাবিক জীবনে জন্ম নিয়েছে কতো সুর কতো গানের কথা। লকডাউনে যেন সব থমকে গিয়েছে। নেই কোন অনুষ্ঠানের বুকিং। চরম সঙ্কটে দিন কাটছে লোক শিল্পীদের। লকডাউনের প্রায় ৫০ দিন পেরোতে চলল। জমানো অর্থ প্রায় শেষ হতে চলল। দিন কাটছে বেশ সঙ্কটে। আজ- কাল আর সুর আসছে, হারিয়ে যাচ্ছে গানের কথা। তাই ঘরে বসে বসেই দিন কাছে শিল্পীদের।

জঙ্গিপুর থেকে হেঁটে বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে ফিরছিল চার শ্রমিক। কিন্তু সিউড়ির হাটজনবাজার কিষাণ মান্ডির কাছে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের পথ আটকায়। তখনই শ্রমিকরা কালিকাঁদরের কাছে ঝোঁপে লুকিয়ে যায়৷ সেই সময় সিভিক ভলেন্টিয়াররা গেলে তাঁদের সঙ্গে শ্রমিকদের বচসার সৃষ্টি হয়। এমনকি সিভিকদের বারণ উপেক্ষা করে তাঁরা পুনরায় হাঁটতে শুরু করে। পরে রবীন্দ্রপল্লীর কাছে সিউড়ি থানার পুলিশ গিয়ে তাঁদের পথ আটকায় এবং তাঁদের উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যায়।


অর্ধেক বেতনের দাবিতে সিউড়ি শহর লাগোয়া মিনিস্টিলের রড ফ্যাক্টরির কর্মীদের মধ্যে বিক্ষোভ।  কর্মীদের অভিযোগ, এই মাসের প্রায় ১৩ দিন পেরিয়ে গিয়েছে তাও তাঁরা এপ্রিল মাসের বেতন পান নি৷ তাঁদের আরও অভিযোগ, লকডাউন চলাকালীন তাঁদেরকে অর্ধেক বেতন দেওয়ার কথা জানিয়েছে। তাতেই এদিন তাঁরা কারখানার সামনে বিক্ষোভ দেখান।


সুভাষগ্রাম খীরিশ তলায় লক ডাউন অমান্য করে বাজার বসেছিল। বারুইপুরের থানার পুলিশের কাছে খবর গেলে পুলিশ গাড়ি সেই স্পট এ যাওয়া মাত্রই এলাকার কিছু দুষ্কৃতী পুলিশ গাড়ির উপর আক্রমণ করে। দুষ্কৃতীরা পুলিশ গাড়ি ভাঙচুর করে এবং বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী গুরুতর চোট পায় বর্তমানে তারা বারুইপুরের মহাকূমা হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পরে বারুইপুরের এসডিপিও ও  বারুইপুরের থানার আইসি নেতৃত্বে বিরাট পুলিশ ফোর্স ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতিকে অ্যারেস্ট করে নিয়ে যায়। বারুইপুরের এসডিপিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানায় আরো বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী এখনও পলাতক রয়েছে  । তাদের খোঁজে পুলিশ আবার এখানে তল্লাশি অভিযান চালাবে।


বাড়ি ফেরার পথে বিপত্তি। একদল পর্যটক বোঝাই বাস উল্টে গেলো বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পালসিটের কাছে। দুর্ঘটনায় একজন পর্যটক গুরুতর জখম হয়।বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।পর্যটকদের বাড়ি কলকাতা ও হাওড়ার আন্দুলে।

মোট ২০ জনের একটি দল ১৬ মার্চ উত্তরাখণ্ড বেড়াতে যায়।এরপর লকডাউনের জেরে পর্যটকরা আটকে পড়েন উত্তরাখণ্ডে।অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে গত ১০ মে বাস ভাড়া করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় পর্যটকদের দলটি।পথে দুর্গাপরের চার পর্যটক নেমে পড়ে এদিন।তারপর কলকাতা যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় পড়ে পর্যটকদের বাস। মেমারি থানার পুলিশ বাকীদের গাড়ি করে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করে।



পরিযায়ী শ্রমিকদের বিহারে পৌঁছাতে গিয়ে চরম হেনস্থার শিকার দক্ষিনবঙ্গ পরিবহনের দুই বাসচালক । বিহার প্রশাসনের প্ররোচনায় তাদের ব্যাপক মারধরের অভিযোগ । 

গত বৃহষ্পতিবার দক্ষিনবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে মোট ১১টি দক্ষিনবঙ্গ পরিবহনের বাস রওনা দেয় বিহারের জামুইয়ের উদ্দেশ্যে । এরমধ্যে দুটি বাস দুর্গাপুরের , যাতে উত্তরপ্রদেশের বেনারসের শ্রমিক ছিল । বিহারের জামুই পর্যন্তই এদের নিয়ে যাওয়ার কথা । কিন্তু জামুই প্রশাসন উত্তরপ্রদেশের শ্রমিকদের নিতে অস্বীকার করে । বাসচালকদের সেখানকার প্রশাসন জানায় যে এদের উত্তরপ্রদেশেই পৌঁছাতে হবে । বাসচালকদ্বয় সেসময় বিহার প্রশাসনের কাছে গাড়ীর তেল চাইলে ব্যাপক ক্ষিপ্ত হয় প্রশাসন । এরপরই শ্রমিকদের প্ররোচিত করে  ব্যাপক মারধর করা হয় দুই বাসচালককে । সারাদিন না খাইয়ে আটকে রাখা হয় তাদের । বাস চালকরা সম্পুর্ন ঘটনা জানায় দক্ষিনবঙ্গ পরিবহনের দুর্গাপুরের আধিকারিকদের । এরপরই সক্রিয় হয় রাজ্য সরকার । বিহার প্রশাসনের সাথে কথা বলেন দক্ষিনবঙ্গ পরিবহনের আধিকারিকগন । এক বাসচালক নিজেই গাড়ীর তেলের ব্যাবস্থা করে। এরপর ওই বাসদুটি শ্রমিকদের নিয়ে বেনারসের উদ্দেশ্যে রওনা হয় । বাসচালকদের মোবাইল বন্ধ থাকায় উদ্বিগ্ন দক্ষিনবঙ্গ পরিবহনের কয়েকজন ইতিমধ্যেই দুর্গাপুর থেকে একটি গাড়ীতে রওনা দেন উত্তরপ্রদেশের উদ্দেশ্যে । বাস দুটি শ্রমিকদের বেনারসে নামিয়ে ফেরার পথে এদের সাথে হাজারীবাগের কাছে সাক্ষাৎ হয় । আজ সকালে দুর্গাপুরে পৌছায় বাসদুটি । এই ঘটনায় দুই বাসচালক গোপাল মাজি ও মোল্লা ওয়াইদ হক ব্যাপক আতংকিত । বিহার প্রশাসনের প্রতি তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বাস কর্মচারী সংগঠনের সম্পাদক । 

ব্যাঙ্গালোরে বা চেন্নাইতে চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রয়োজনে গিয়েছিলেন এমন বেশ কিছু মানুষ আজ বর্ধমানে ফিরলেন।এদের মধ্যে ৫ জন বর্ধমান শহরের। পাড়ার কয়েকজন মানুষই তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বাসস্ট্যান্ডে এসেছিলেন। প্রতিমাসে এই জেলা থেকে অনেক মানুষই এই দুই রাজ্যে নানারকমের চিকিৎসা করাতে যান। এদেরই বেশ কিছু মানুষ আটকে পড়েছিলেন লক-ডাউনের জেরে। তারা নানারকম অসুবিধায় ছিলেন। অবশেষে আজ চারটি বাসে করে আজ জেলায় এলেন এঁরা। ব্যাঙ্গালোর থেকে শ্রমিক  স্পেশাল ট্রেনে আজ সকালে বাঁকুড়া আসেন ওরা।সেখান থেকে বাসে বর্ধমানে। রাস্তায় কোনো অসুবিধা হয়নি বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। বাঁকুড়া স্টেশনে নামার পর থেকে রাজ্য সরকারের তরফে তাদের দিকে সবরকমের সাহায়ের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এখান থেকে সবাই নিজের নিজের গ্রাম বা শহরে ফিরে যাবেন।শহরে ফিরে আসা পাঁচজনকে বাড়ি ফিরিয়ে নিতে আসেন তাদের এলাকার কয়েকজন। তারা জানিয়েছেন প্রবাসে এবং রাজ্যে আসার পর তাদের সব পরীক্ষা হয়েছে। এরপর থেকে এরা নিয়ম মেনে ১৪ দিন হোম কোয়ারিন্টিনে থাকবেন।প্রয়োজনে স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে  যোগাযোগ রাখবেন।সব নির্দেশ মেনে চলবেন।


ব্যাঙ্গালোর থেকে দু'দফায় তাই ৪ হাজার পরিযায়ী শ্রমিক পুরুলিয়ায় ফিরছেন।   সেইমতো পুরুলিয়া স্টেশনে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে শুরু করে যা কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে পুরুলিয়া স্টেশন চত্বরে। এদিন রাত্রি এগারোটা নাগাদ ব্যাঙ্গালোর থেকে পুরুলিয়া এসে পৌঁছাবে বিশেষ ট্রেনটি। ওই ট্রেনটি নিউ জলপাইগুড়িতে গন্তব্যস্থল ছিল। কিছু সমস্যার জন্য ট্রেনটি গ্রিন জোন পুরুলিয়া স্টেশনে প্রায় ১৯০০ যাত্রীকে নামানো হবে বলে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। 
বৃহস্পতিবার, ব্যাঙ্গালোর থেকে পুরুলিয়া আগামী ট্রেনটি পৌঁছাবে। পুরুলিয়ার ১২৪৪, বীরভূমের ৫৯০ এবং পশ্চিম বর্ধমানের ১৯৬ জন যাত্রীকে রয়েছেন।

এদিন চূড়ান্ত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে জেলাশাসক রাহুল মজুমদার জেলা পুলিশ সুপার এস সিলভামুরগন ও স্টেশন ম্যানেজার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা সবকিছু খতিয়ে দেখেন।



 বিভিন্ন রাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে নদীয়া জেলায়। হাওড়া সহ বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে তাদের আসার কথা থাকলেও এই পর্যন্ত একটি বাস পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কৃষ্ণনগরে পৌঁছায়। আজ ট্রেনে করে ব্যাঙ্গালোর থেকে পরিযায়ী যাত্রী নিয়ে বাঁকুড়া এসে পৌঁছায় একটি যাত্রীবাহী ট্রেন, ওই ট্রেন থেকে নদীয়ার কৃষ্ণনগর স্টেডিয়ামে নদীয়ার ২৯ জন পরিযায়ী শ্রমিকদের একটি বাসে করে আনা হয়। আনার পরই তাদের কৃষ্ণনগর জেলা স্টেডিয়ামে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর পাঠানো হচ্ছে বাড়িতে।




করোনা আবহে বিপন্ন মালদার আম ! 

এই মারণ ভাইরাসের আতঙ্কে ক্ষতিগ্রস্ত জেলার প্রধান অর্থকরী ফসলের সাথে যুক্ত প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে জড়িয়ে থাকা প্রায় ৭ লক্ষ মানুষ।

ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা। আতংকে জেলার আম চাষী, শ্রমিক, রপ্তানিকারক ছাড়াও এই চাষের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষ।
মালদা জেলার প্রধান অর্থকরী ফল  আম। আর এই আম চাষের উপরেই নির্ভর বহু মানুষের জীবন-জীবিকা। জেলার অর্থনীতি সচল রাখতে এই ফলের রাজার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এবছর মালদায় মোট ৩০ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছে।

খারাপ আবহাওয়া ঝড় প্রচন্ড শিলাবৃষ্টি সত্বেও এ বছরে আমের ফলন এর লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ৩ লক্ষ মেট্রিক টন।

তবে প্রতিকূল আবহাওয়া প্রচন্ড শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমি চাষ। তার উপর করোনার ভয়াল থাবা ফলে বিপন্ন মালদা জেলার প্রায় ৯০ হাজার আম বাগানের মালিক।



জেলায় আম চাষের সঙ্গে সরাসরি প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যুক্ত প্রায় ৪ লক্ষ শ্রমিক। এছাড়াও আনুষঙ্গিক কাজ যেমন প্যাকিং বাক্স তৈরি ঝুড়ি তৈরি সহ বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ।
ফলে করো না পরিস্থিতিতে জেলায় আম চাষের সাথে যুক্ত বিপন্ন প্রায় ৭ লক্ষ মানুষ।


করোনার প্রভাবে দীর্ঘ লকডাউন এর কারণে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে জেলার আমবাগান গুলিতে। বাগান পরিচর্যা, স্প্রে করা বা অন্যান্য কাজের জন্য মিলছে না শ্রমিক। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জেলার আম চাষ।



২০০৯ সাল পর্যন্ত মালদার আমের একটা বড় অংশ রপ্তানি হতো বাংলাদেশে। কিন্তু অল্প সময়ে অধিক লাভের আশায় বেশি কীটনাশক ও রাসায়নিক ব্যবহারে কৌলিন্য হারিয়েছে মালদার আম। ফলে বিদেশের বাজারেও ধীরেধীরে চাহিদা কমছে জেলার আমের


বিদেশের বাজারে আমের চাহিদা কমলেও দেশে উত্তর প্রদেশ দিল্লি গোহাটি ত্রিপুরা বিহার সহ বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক বছরে বেড়েছিল মালদার আমের চাহিদা। কিন্তু দীর্ঘ লকডাউন এর ফলে এখন সবই বন্ধ। আগ্রহ হারাচ্ছেন ক্রেতারা। ফলে বিরাট ক্ষতির সামনে দাঁড়িয়ে সরকারি সাহায্যের দাবি করছেন মালদার বনিক মহল।


 আজ রাজারহাট নিউ টাউন থেকে কিছু পরিযাই শ্রমিক সকাল থেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যস্থলের আসামে দিকে পৌঁছে শুরু করে। বারাসাতের ডাকবাংলায় এসে তারা বিশ্রাম করে। এবং তাদের হাতে জল ও খাবার তুলে দেন বারাসাত থানার পুলিশ।


  'লক ডাউন'। মাত্র হাতে গোনা এই তিন অক্ষরের শব্দবন্ধ দেড় মাসের মধ্যে ওলট পালট করে দিল অনেক কিছুই।  এক সময়ের বিখ্যাত বাঁকুড়ার জগদ্বিখ্যাত পাগড়ি শিল্প আজ ধুঁকছে। সৌজন্যে সেই বহু চর্চিত ও এই মুহূর্তের বহু আলোচিত 'লক ডাউন'।

   একদিকে কালী-কার্তিকের  জন্য যেমন বিখ্যাত বাঁকুড়ার এই প্রাচীণ পৌর শহর। তেমনি এখানকার শ্যামবাজারের তাঁতিদের তৈরী পাগড়ির জন্যও সোনামুখীর নাম কাবুল, আফগানিস্তানীদের মুখে মুখে ফেরে। সুখের সেদিন আর নেই, একটা সময় ছিল যখন দলে দলে কাবুলীওয়ালারা এসে ভীড় করতো সোনামুখীতে। পাইকারিহারে এখানকার পাগড়ি কিনে পাড়ি জমাতো নিজেদের দেশে। গত কয়েক বছর ধরে সে ছবিটাও ফিকে হয়ে আসছিল। আর 'করোনা' এসে আরো, আরো বেশী ফিকে করে দিল। এক দিকে পাগড়ি তৈরীর কাঁচা মালের যোগান নেই, অন্যদিকে কাবুলিয়ালা বা অন্যান্য ক্রেতাদেরও দেখা নেই। ফলে চরম অস্তিস্ত রক্ষার সংকটে ভূগছে এক সময়ের বিখ্যাত এই পাগড়ি শিল্প। আর সংসারে টান পড়ছে পাগড়ি তৈরীর সঙ্গে যুক্ত একটা বড় অংশের শিল্পীদের।
 দিল্লির উদ্দেশ্যে হাওড়া থেকে রওনা দেওয়ার আগের প্রস্তুতি ছবি এবং তাদের পরীক্ষা করার পরে তোলা হচ্ছে। ট্রেনে তবে বাড়ির দিকে রওনা দিতে পেরে খুশি বহু মানুষ


 

সরকারের কোনরকম সাহায্য না পেয়ে অবশেষে  দু লক্ষ চব্বিশ হাজার টাকা  বাস ভাড়া করে চেন্নাই থেকে পূর্ব মেদিনীপুরে পৌঁছলো 28 জন পরিযায়ী শ্রমিক। চেন্নাইয়ে  তারা রাজমিস্ত্রি এবং টেলারিং এর  কাজ করতো। তারা প্রত্যেকেই চন্ডিপুর এবং নন্দীগ্রামের বাসিন্দা । তাদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে তারা খাওয়ার-দাওয়ার পাচ্ছিল না , টাকা-পয়সাও প্রায় নিঃশেষ হয়ে গেছিল পরে বাড়ির লোকের তৎপরতায় বাস ভাড়ার টাকা জোগাড় করে রবিবার সন্ধ্যেতে একটি বাস ভাড়া করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় । শুধু চেন্নাই নয় বাড়ি ফেরার পথেও মেলেনি কোনরকম জল বা খাওয়ার, এমনটা অভিযোগ করেন ওই পরিযায়ী শ্রমিকেরা । অবশেষে আজ সকাল দশটায় মেচেদার পথসাথী তে ওই সমস্ত শ্রমিকদের থার্মাল স্ক্যানিং করা হয় তারপর তারা নিজের উদ্যোগই তারা বাড়ি ফেরে ও 14 দিন হোম কোয়ারান্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।



মালদায় ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছুঁয়েছে ১৯ এ।
আক্রান্তদের সকলেই প্রায় ভিন রাজ্য থেকে ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিক।
ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই সমস্ত শ্রমিকরা মালদা গৌড়কন্যা বাসস্ট্যান্ডে এসে সেখান থেকে বাড়িতে ফিরে যান।
ফলে এই বাসস্ট্যান্ডে সংক্রমণের আশঙ্কায়, আজ জেলা দমকল বিভাগের উদ্যোগে জীবাণুমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করা হলো।
ছড়ানো হল জীবানুনাশক।

রাজস্থানের আজমের থেকে মালদায় ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের কয়েকজনের দেহে মিলছে মারণ ভাইরাস করণের সংক্রমণ। পরে আরো ভিন রাজ্য থেকে ফেরা শ্রমিকের দেহে পাওয়া গিয়েছে করোনা ভাইরাস এর খোঁজ। 
এরই জেরে মঙ্গলবার মালদা জেলা প্রশাসনের নির্দেশে মালদা শহরের গৌরকন্যা বাস টার্মিনাস স্যানিটাইজ করল দমকল দপ্তর।



দীর্ঘ 45 দিন পর হাওড়া স্টেশন থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিল দিল্লি স্পেশাল ।হাজার 28 জন যাত্রী কে নিয়ে দিল্লির দিকে রওনা দিলেন ।শুধু তাই নয় হাওড়া স্টেশনে ঢোকার মুখে তাদের শারীরিক চেকআপ এরপর  তাদের বৈধ টিকিট কনফার্ম হয়েছে সেই টিকিট দেখি এই স্টেশনে প্রবেশ করতে হয়েছে পাশাপাশি রেলওয়ে সুরক্ষা কর্মীরা যাত্রীদের বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে পৌঁছে দিয়েছে ট্রেনের দোরগোড়া অব্দি এবং সেখানে রেলের কর্মীরা তাদের স্প্রে স্যানিটাইজার করে তবে তাদেরকে ভেতরে প্রবেশ অধিকার। পাশাপাশি নিখিল চক্রবর্তী জানান ট্রেনে বিশেষ সর্তকতা রাখা হয়েছে রাখা হয়েছে স্বাস্থ্যকর্মী ডাক্তার এবং ট্রেনে যাত্রীদের দেখভালের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষিত কর্মী যারা কোন রকম অসুবিধা হলে সরাসরি পৌঁছে যাবেন যাত্রীদের কাছে। তবে দীর্ঘদিন পরে বাড়ি ফিরতে পেরে যাত্রীরা অনেকটাই খুশি।



 শান্তিপুর থানা ফুলিয়া থেকে কোচবিহারের তাঁতিদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিল প্রশাসন। ফুলিয়া মূলত অধিকাংশ তাঁত শিল্পী কোচবিহার সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসেন। তারা সারাবছরই ফুলিয়া মহাজনের বাড়িতে থেকে তাঁতের শাড়ি তৈরি কাজ করেন। লকডাউন এর জেরে তারা বাড়ি ফিরতে পারছিলেন না। কিছুদিন আগে মাত্র সামান্য কয়েকজন মানুষকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটা শিথিল হওয়ায় আজ থেকে শুরু হলো কোচবিহারে তাঁতীদের বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ। প্রায় 800 জন মত তাঁত শিল্পী কে আজ তাদের বাড়ী ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন প্রশাসন।সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে এক একটি বাস পঁচিশ জন করে যাত্রী নিয়ে ফুলিয়া থেকে রওনা দেয় কোচবিহারের উদ্দেশ্যে। বাড়ি ফিরতে পেরে স্বাভাবিক কারণেই খুশি ফুলিয়া কর্মরত তাঁত শিল্পীরা।


 ব্যাঙ্গালোর থেকে ফেরানো হল বীরভূমের ১৩১ জন বাসিন্দা কে। তারা লকডাউনের আগে ব্যাঙ্গালোর গিয়েছিল চিকিৎসা করাতে কেউ গিয়েছিলেন কাজের সন্ধানে। প্রায় ৫০ দিন পর তাদের ফেরানো হল বীরভূমে। মহম্মদ বাজারে আজ এসে পৌছায় ৪ টি বাস। সেখানেই স্বাস্থ্য দপ্তরের এবং মহম্মদ বাজার থানার উদ্যোগে স্বাস্থ্য পরিক্ষা করা হয় এবং লালা রস সংগ্রহ করা হয় প্রত্যেক মানুষের। এরপর তাদের গাড়ি নিজ নিজ এলাকায় পৌছে দেওয়া হয়।
পশ্চিম বর্ধমানে কাঁকসাব্লকের 2নং জাতীয় সড়ক রাজবাধ এলাকায় রাস্তার ধারে উদ্ধার এক ব্যক্তি মৃত দেহ । এলাকার মানুষ জানিয়েছেন এই ব্যাক্তি টি পায়ে হেঁটে যাচ্ছিল  ভিন্ন রাজ্যে ।



নদীপাড়ে খুশীর বান।লকডাউনের জেরে দেড় মাস টানা বন্ধ ছিল বালিঘাট।সরকারি নির্দেশে গতকাল থেকে বালিঘাট খোলার কথা বলা হলেও মঙ্গলবার থেকে পুরোপুরি চালু হয়েছে নদী থেকে বালি তোলার কাজ।
এদিন সকাল থেকেই পূর্ব বর্ধমানের দামোদর নদের জামালপুর, রায়না,খণ্ডঘোষ ও সদরঘাট এলাকায় বালি তোলা হয়েছে। এতদিন কাজ না পেয়ে বালি শ্রমিকরা বেকায়দায় পড়েছিলেন। সংসার টানতে না পেরে অনেকেই পেশা বদলে ছিলেন। কিন্তু এদিন পুরনো পেশায় যোগ দিয়ে খুশী নদীপাড়ের বালি শ্রমিকরা।
বর্ষার পর ফি বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে বালিঘাট চালু হয়।সুতরাং এখন ভরা মরশুম চলছে বালিতোলার। কিন্তু লকডাউনের কারণে ভরা মরশুমে মার খেলো বালি তোলার কাজ। আবার গ্রীষ্মের পর বর্ষায় বালিঘাট বন্ধ হয়ে যাবে।জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত পুরোপুরি বালি তোলার কাজ বন্ধ থাকে সরকারি নির্দেশিকায়।ফলে ভরা মরশুমে কাজ হারিয়ে শ্রমিকরা ঘোর সংকটে পড়েন। এদিন দামোদরের তেলকূপি ঘাটের শ্রমিকরা বলেন এতদিন খুব খারাপ সময়ের মধ্যে কাটিয়েছি।রেশনের চালে কি আর সংসার চলে।তাই কাজ ফিরে পেয়ে শ্রমিকরা খুব খুশী। একই বক্তব্য বর্ধমানের দামোদরের সদরঘাটের বালিঘাটের শ্রমিকদের।কাজ শুরু হয়েছে। তবে এখন বালি তোলা হলেও তা বাইরে যাবে না। কারণ পরিবহনে লকডাউন চলছে। তাই আপাতত নদী থেকে তোলা বালি মজুত করে রাখা হচ্ছে।


 পশ্চিম বর্ধমানে কাঁকসাব্লকের 2নং জাতীয় সড়ক রাজবাধ এলাকায় রাস্তার ধারে উদ্ধার এক ব্যক্তি মৃত দেহ । এলাকার মানুষ জানিয়েছেন এই ব্যাক্তি টি পায়ে হেঁটে যাচ্ছিল  ভিন্ন রাজ্যে হয় তো কোন পরিযাই শ্রমিক ছিল । তবে দুর্ঘটনায় না অন্য কোন কারণে মৃত তদন্তে কাঁকসা থানার পুলিশ । মৃত দেহটি দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াহয়েছে

বেতন না পেয়ে বিক্ষোভ দেখালেন রেলের সাফাইকর্মীরা। মঙ্গলবার তাঁরা বর্ধমান স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে বিক্ষোভ দেখান। সাফাইকর্মীদের দাবী, লকডাউনের সময় ট্রেন বন্ধ থাকায় তাঁরা নিয়মিত কাজ পাননি। কিন্তু পর্যায়ক্রমে তাঁরা কাজ করেছেন। কিন্তু এপ্রিল ও মাসের বেতন তাদের এখনও দেওয়া হয়নি।

লকডাউন ঘোষণার পরই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেসরকারি সেক্টরের উদ্দেশ্য বলেছিলেন কেউ যেন কাজ না হারায়।বেতন না কাটা হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারীকে তোয়াক্কা না করেই খোদ রেলেই গোণ্ডগোল।বেতন পাচ্ছেন না সাফাই কর্মীরা।
  সাফাইকর্মী লালবাবু চৌধুরী বলেন, তাঁরা মাসে ২৬ দিন কাজ করে ১০ হাজার টাকা পান। কিন্তু এখন সাতদিন তাঁরা কাজ পেয়েছেন। ঠিকাদার তাঁদের যতদিন কাজ করিয়েছে, ততদিনের বেতন দেবে বলেছে। তাই  এদিন তাঁরা  প্রতিবাদ করেন। মঙ্গলবার থেকে তাঁরা কাজও বন্ধ রেখেছেন।  সরকারি সিধান্ত অনুযায়ী তারা পুরো বেতন না পেলে আগামী দিনে বড় আন্দলোনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ৷ ঠিকাদার সংস্থার পক্ষে বিজন তালুকদার বলেন, বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। টাকা এলেই তাদের বেতন দেওয়া হবে।



কোচবিহার: কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাট বীজ নিয়ে গত ৪ ঠা এপ্রিল গিয়েছিল ৬১ জন ট্রাক চালক নানা জটিলতার কারণে দীর্ঘ প্রায় ৩৮ দিন তাদের ভারত বাংলাদেশের জিরো পয়েন্টে বাংলাদেশের মধ্যে আটকে থাকতে হয় অবশেষে দীর্ঘ প্রায় ৩৮ দিন পর আজ তারা ভারতে প্রবেশ করে মেখলিগঞ্জ এর চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত দিয়ে । এই ৬১ জন ট্রাকচালককে কোয়ারান্টিনে রাখা হবে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার করার পরে কিন্তু তাদেরকে বাড়ি যাবার অনুমতি দেওয়া হবে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।



 চেন্নাই থেকে হাওড়া এসে পৌছালো চেন্নাই হাওড়া স্পেশাল বিকেল পাঁচটার সময় হাওড়া স্টেশনে 23 নম্বর প্লাটফর্মে এসে ঢোকে মূলত চেন্নাই থেকে চিকিৎসা করেফিরল বহু যাত্রী। স্টেশনে তাদের শারীরিক চিকিৎসার পরে। সোশ্যাল ডিসটেন্স বজায় রেখেসঙ্গে খাবার এবং পানীয় দিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সরকারি বাসায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করল রাজ্য সরকার পাশাপাশি হাওড়া শহরে বিভিন্ন সংস্থা ওই যাত্রীদের হাতে তুলে দিলো শুকনা খাবার শুধু তাই নয় সেই সমস্ত পক্ষ থেকে যাত্রীদের নিরাপদে বাস এবং এম্বুলেন্সের তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করলো সবমিলে স্বেচ্ছাসেবক এবং সরকারি কর্মীদের সাহায্যে চেন্নাই থেকে আগত যাজিত্রীরাবেশিরভাগ অংশই তাদের পরিজন এর চিকিৎসার জন্য চেন্নাই গিয়েছিলেন তাদের মধ্যে চিকিৎসা করতে যাওয়া যাত্রীদের বেশির অংশই তাদের সুষ্ঠুভাবে পৌঁছে দিলো রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে।



মঙ্গলবার  হাওড়ার লিলুয়া থানার কোনা তেঁতুলতলায় একটি আটাকলে প্রচুর সরকারী গম আমদানী হচ্ছে  দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই আটাকলে তীব্র বিক্ষোভ দেখায় এবং আটাকলের মালিককে গ্রেফতারের দাবী তোলে ।স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে এদিন সকালে একটি ইঞ্জিন  ভ্যানে চাপিয়ে প্রচুর গম তোলেন আটাকলের মালিক সোনা মান্না ।এরপরে স্থানীয় বাসিন্দারা  আটাকলে গিয়ে  সেই গম দেখতে পেয়ে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।গম কালোবাজারী হচ্ছে বলে দাবী তোলে ও সেই গম স্থানীয়দের দিতে হবে বলে জানিয়ে বিক্ষোভ দেখায় ।পরে পুলিশ এসে সোনা মান্নাকে আটক করে নিয়ে  গেলে  বিক্ষোভ থামে ।



কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপি নেতাদের চাঁচাছোলা আক্রমণ তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কে পাতাখোর সঙ্গে তুলনা করেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার 2024 ক্ষমতায় আসার জন্য ফ্যাক্টরির তৈরীর নাম করে  প্রলোভন দেখাচ্ছেন। লাইভ এর সময় নেওয়া  অনুব্রত মণ্ডলের এক্সক্লুসিভ বক্তব্য।


তিনজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু আলিপুরদুয়ারের পুর এলাকার দুই নম্বর ওয়ার্ডের প্রভাত সংঘ লাগোয়া এলাকার তিনজনই একই পরিবারের সম্পর্কে স্বামী, স্ত্রী ছেলে মঙ্গলবার রাত আটটা নাগাদ ভাঁড়ার-ঘর থেকে তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আলিপুরদুয়ারে মর্মান্তিক ঘটনার কারণ হিসেবে জানা গেছে আর্থিক দুরবস্থা  বিপর্যয়ের  কারণেই কি গোটা পরিবার শেষ হয়ে গেল সেই নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন উঠছে বিশ্বজিৎ বোস পেশায় জীবন বীমা এজেন্ট স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে স্ত্রী, পুত্রকে নিয়ে থাকতেন এলাকায় একটি বাড়িতে বাড়ি ভাড়া থাকতেন ছেলে ক্লাস ইলেভেনে পড়তো তারা এই জেলার বাসিন্দা না বলে জানা গিয়েছে ।আলিপুরদুয়ার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পুলিশ গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে বলে জানা গিয়েছে।