মঙ্গলবার সাত সকালেই বাঁকুড়ায় এসে পৌঁছাল স্পেশাল ট্রেন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ব্যাঙ্গালুরু থেকে কুড়ি কামরার ট্রেনটি এসে পৌঁছায় বাঁকুড়া স্টেশনে। ১০ মে দুপুর ২ টা ১৩ মিনিটে ব্যাঙ্গালুরু থেকে এই ট্রেনটি ছেড়ে বাঁ কুড়ার উদ্যেশ্যে রওনা দেয় ট্রেনটি। এই ট্রেনে দক্ষিন ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে ও কাজ করতে গিয়ে লক ডাউনে আটকে পড়া প্রায় বারোশ ব্যাক্তিকে ফিরিয়ে আনা হয় এ রাজ্যে। আগে থেকেই বাঁকুড়া স্টেশনে মোতায়েন ছিলেন যথেষ্ট সংখ্যক স্বাস্থ্য কর্মী, পুলিশ কর্মী ও পরিবহন আধিকারিক ও কর্মীরা। ট্রেন স্টেশনে পৌঁছাতেই শুরু হয় তৎপরতা। ট্রেন থেকে যাত্রীরা নেমে আসতেই তাদের ধাপে ধাপে পরীক্ষা করা হয়। প্রথম টেবিলে যাত্রী দের প্রত্যেককে স্যানিটাইজার ও মাস্ক দেওয়া হয়। এরপর পরের টেবিলে নিয়ে যাওয়া হয় যাত্রী দের। সেখানে প্রত্যেকের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হয়। এরপর প্রত্যেককে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ওষুধ দিয়ে যাত্রীদের নাম নথিভূক্ত করানো হয়। এরপর প্রতিটি জেলার জন্য নির্দিষ্ট করা বাসে তুলে যাত্রীদের তিনটি ভাগে ভাগ করে নিয়ে যাওয়া হয় বাঁকুড়া স্টেশন, ধলডাঙ্গা ও ওন্দা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানে কিছু কিছু করে যাত্রীদের র্যানডাম পদ্ধতিতে লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর যাত্রী দের বাসে করে নিজের নিজের জেলার উদ্যেশ্যে রওনা করিয়ে দেওয়া হয়। পরিবহন দফতর সূত্রে জানা গেছে মোট ৪৫ টি সরকারি বাসে করে যাত্রী দের বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শেষ অবধি নিজের রাজ্যে ফিরে আসতে পারায় খুশি লক ডাউনে ভিন রাজ্যে আটকে পড়া ব্যাক্তিরা।
সোমবার রাতে মালদায় এক ধাপে করোনা আক্রান্ত আরও ৬, মোট আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ১৯
মালদহে আরও ৬ কোভিড আক্রান্ত! রাজস্থান ও অন্যান্য রাজ্য থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের শরীরে সংক্রমণ। মালদায় মোট আক্রান্ত ১৯
গত ১৮ দিন আগেও মালদহ জেলায় সংক্রামিতর সংখ্যা ছিল শূন্য। কিন্তু গত দু’সপ্তাহে এক-দুই করতে করতে সংখ্যাটা এসে দাঁড়াল ১৯ তে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মালদহে আরও ছ’জনের শরীরে কোভিড-১৯ সংক্রমণের খোঁজ মিলল। আক্রান্তরা প্রত্যেকেই হরিশচন্দ্রপুর এক নম্বর ব্লকের বাসিন্দা বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর। যদিও রবিবার দুপুর পর্যন্ত এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে কিছু জানানো হয়নি। হতে পারে আগামীকাল সন্ধেবেলা স্বাস্থ্য ভবন যে বুলেটিন প্রকাশ করে তাতে এর উল্লেখ থাকবে।
গতকাল স্বাস্থ্য ভবন যে বুলেটিন দিয়েছিল তাতে মালদহে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩ জন। তারপর নতুন করে আরও ছ’জনের শরীরে করোনা পজিটিভ মিলেছে। নতুন ছয় আক্রান্তরা রাজস্থানের আজমেঢ় বিভিন্ন রাজ্য থেকে ফিরেছিলেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
মালদহের প্রথম তিন করোনা আক্রান্তদের মধ্যে দু’জন মানিকচকের এবং একজন রতুয়ার বাসিন্দা। তাৎপর্যপূর্ণ মালদার করনা আক্রান্তদের বেশির ভাগই হরিশচন্দ্রপুর এক নম্বর ব্লকের।
নতুন করে সংক্রমণ ধরা পড়ার খবরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে হরিশচন্দ্রপুরে। স্থানীয়দের বক্তব্য, ভিন্ রাজ্য থেকে ফেরা শ্রমিকদের সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে না রেখে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়েই কাল হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ভিন্ রাজ্য থেকে ফেরা শ্রমিকরা কোয়ারেন্টাইনের কোনও শর্তই মানছেন না। রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবারে ভিন রাজ্য থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের হোম কোয়ারেন্টাইন এর বদলে সহকারী কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু সরকারি কোয়ারেন্টাইনে রাখলে সমস্যার সমাধান হবে না। সাধারণ মানুষকেও বুঝতে হবে সরকারেরও একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। মানুষের সতর্কতাও সমান প্রয়োজন। সাধারণ মানুষ সতর্ক না হলে কোনও মহামারীকেই একা সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। তবে সংক্রমণ নিয়ে মালদহ জেলা প্রশাসনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার সাত সকালেই বাঁকুড়ায় এসে পৌঁছাল স্পেশাল ট্রেন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ব্যাঙ্গালুরু থেকে কুড়ি কামরার ট্রেনটি এসে পৌঁছায় বাঁকুড়া স্টেশনে। ১০ মে দুপুর ২ টা ১৩ মিনিটে ব্যাঙ্গালুরু থেকে এই ট্রেনটি ছেড়ে বাঁ কুড়ার উদ্যেশ্যে রওনা দেয় ট্রেনটি। এই ট্রেনে দক্ষিন ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে ও কাজ করতে গিয়ে লক ডাউনে আটকে পড়া প্রায় বারোশ ব্যাক্তিকে ফিরিয়ে আনা হয় এ রাজ্যে। আগে থেকেই বাঁকুড়া স্টেশনে মোতায়েন ছিলেন যথেষ্ট সংখ্যক স্বাস্থ্য কর্মী, পুলিশ কর্মী ও পরিবহন আধিকারিক ও কর্মীরা। ট্রেন স্টেশনে পৌঁছাতেই শুরু হয় তৎপরতা। ট্রেন থেকে যাত্রীরা নেমে আসতেই তাদের ধাপে ধাপে পরীক্ষা করা হয়। প্রথম টেবিলে যাত্রী দের প্রত্যেককে স্যানিটাইজার ও মাস্ক দেওয়া হয়। এরপর পরের টেবিলে নিয়ে যাওয়া হয় যাত্রী দের। সেখানে প্রত্যেকের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হয়। এরপর প্রত্যেককে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ওষুধ দিয়ে যাত্রীদের নাম নথিভূক্ত করানো হয়। এরপর প্রতিটি জেলার জন্য নির্দিষ্ট করা বাসে তুলে যাত্রীদের তিনটি ভাগে ভাগ করে নিয়ে যাওয়া হয় বাঁকুড়া স্টেশন, ধলডাঙ্গা ও ওন্দা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানে কিছু কিছু করে যাত্রীদের র্যানডাম পদ্ধতিতে লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর যাত্রী দের বাসে করে নিজের নিজের জেলার উদ্যেশ্যে রওনা করিয়ে দেওয়া হয়। পরিবহন দফতর সূত্রে জানা গেছে মোট ৪৫ টি সরকারি বাসে করে যাত্রী দের বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শেষ অবধি নিজের রাজ্যে ফিরে আসতে পারায় খুশি লক ডাউনে ভিন রাজ্যে আটকে পড়া ব্যাক্তিরা।
দীর্ঘ দেড় মাসেরও বেশী অপেক্ষা শেষে অবশেষে রাজ্যের মাটিতে পা রাখলেন তারা। মঙ্গলবার সকালে বেঙ্গালুরু থেকে আসা 'শ্রমিক স্পেশাল' ট্রেন বাঁকুড়ায় ঢুকলো। এই ট্রেনে বাঁকুড়া সহ বীরভূম , মুর্শিদাবাদ , মালদা, উত্তর ২৪ পরগনা , দক্ষিণ ২৪ পরগনা , হুগলি , কলকাতা, নদীয়া, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পরিযায়ী শ্রমিক সহ বেশ কাছু চিকিৎসা করাতে যাওয়া সাধারণ মানুষ সহ মোট ১২০০ জন এরাজ্যে পৌঁছালেন। অবশেষে বাড়ি ফিরতে পেরে খুশি সকলেই।
চিকিৎসা করাতে বেঙ্গালুরু গিয়ে আটকে পড়া পূর্ব মেদিনীপুরের বাবলু গুছাইত, বীরভূমের বোলপুরের পারমিতা চ্যাটার্জীরা বলেন, ভীষণ সমস্যায় ছিলাম। অতিরিক্ত হোটেল ভাড়া ও চিকিৎসার খরচ সামলে নাজেহাল অবস্থা। অবশেষে বাড়ি ফিরতে পেরে তারা খুব খুশি বলে জানান। নদীয়ার পরিযায়ী শ্রমিক নারায়ণ মণ্ডল বলেন, খূব সমস্যায় ছিলাম। একটা সময় বাড়ি ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। একদিকে কাজ নেই, অন্য দিকে খাওয়া দাওয়াথ সমস্যা সব মিলিয়ে খুব সমস্যার মধ্যে তারা ছিলেন বলে তিনি জানান ।
বেঙ্গালুরু থেকে আসা ঐ বিশেষ ট্রেনে পরিযায়ী শ্রমিক সহ অন্যান্যদের থার্মাল স্ক্রিনিং ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছিল প্রশাসন। পরে বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করে প্রত্যেককে নিজের নিজের জেলায় ফেরৎ পাঠানোর উদ্যোগ নেয় প্রশাসন।
এদিন বাঁকুড়ায় ট্রেন ঢোকার আগে থেকেই স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি নির্বাচিত পদাধিকারিকরা । জেলা পরিষদের সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু বলেন, পরিযায়ী শ্রমিক ও চিকিৎসা করাতে যাওয়া মানুষরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ফিরে এলেন। প্রত্যেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সহ অন্যান্য ব্যবস্থা জেলা প্রশাসন করেছে বলে তিনি জানান।
করোনা যুদ্ধ জিতে সোমবার রাতে বাড়ি ফিরলেন মোহনপুর পঞ্চায়েতের ঔষধ ব্যবসায়ী। টানা দশদিন করোনার সাথে লড়াই করে বাড়ি ফেরার পর তাকে পুষ্প বৃষ্টির মধ্যে বরণ করে নেন এলাকার মানুষ।
সোমবার রাতে মালদায় এক ধাপে করোনা আক্রান্ত আরও ৬, মোট আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ১৯। মালদহে আরও ৬ কোভিড আক্রান্ত! রাজস্থান ও অন্যান্য রাজ্য থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের শরীরে সংক্রমণ। মালদায় মোট আক্রান্ত ১৯।
গত ১৮ দিন আগেও মালদহ জেলায় সংক্রামিতর সংখ্যা ছিল শূন্য। কিন্তু গত দু’সপ্তাহে এক-দুই করতে করতে সংখ্যাটা এসে দাঁড়াল ১৯ তে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মালদহে আরও ছ’জনের শরীরে কোভিড-১৯ সংক্রমণের খোঁজ মিলল। আক্রান্তরা প্রত্যেকেই হরিশচন্দ্রপুর এক নম্বর ব্লকের বাসিন্দা বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর। যদিও রবিবার দুপুর পর্যন্ত এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে কিছু জানানো হয়নি। হতে পারে আগামীকাল সন্ধেবেলা স্বাস্থ্য ভবন যে বুলেটিন প্রকাশ করে তাতে এর উল্লেখ থাকবে।
গতকাল স্বাস্থ্য ভবন যে বুলেটিন দিয়েছিল তাতে মালদহে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩ জন। তারপর নতুন করে আরও ছ’জনের শরীরে করোনা পজিটিভ মিলেছে। নতুন ছয় আক্রান্তরা রাজস্থানের আজমেঢ় বিভিন্ন রাজ্য থেকে ফিরেছিলেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
মালদহের প্রথম তিন করোনা আক্রান্তদের মধ্যে দু’জন মানিকচকের এবং একজন রতুয়ার বাসিন্দা। তাৎপর্যপূর্ণ মালদার করনা আক্রান্তদের বেশির ভাগই হরিশচন্দ্রপুর এক নম্বর ব্লকের।
নতুন করে সংক্রমণ ধরা পড়ার খবরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে হরিশচন্দ্রপুরে। স্থানীয়দের বক্তব্য, ভিন্ রাজ্য থেকে ফেরা শ্রমিকদের সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে না রেখে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়েই কাল হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ভিন্ রাজ্য থেকে ফেরা শ্রমিকরা কোয়ারেন্টাইনের কোনও শর্তই মানছেন না। রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবারে ভিন রাজ্য থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের হোম কোয়ারেন্টাইন এর বদলে সহকারী কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু সরকারি কোয়ারেন্টাইনে রাখলে সমস্যার সমাধান হবে না। সাধারণ মানুষকেও বুঝতে হবে সরকারেরও একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। মানুষের সতর্কতাও সমান প্রয়োজন। সাধারণ মানুষ সতর্ক না হলে কোনও মহামারীকেই একা সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। তবে সংক্রমণ নিয়ে মালদহ জেলা প্রশাসনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

0 Comments