বালি চুরির কারণে বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পুরুলিয়া শহরের পানীয় জল সরবরাহ। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন পুরুলিয়া পুরসভার পুরপ্রধান শামিম দাদ খান। গুরুত্বপূর্ণ এই পরিসেবা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বিষয়টি সভাধিপতি,জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারের কাছেও অভিযোগ জানান।
লকডাউনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবাধে বালি চুরিহচ্ছিলই জেলা জুড়ে। কাঁসাই, দামোদর নদ,সুবর্ণরেখা নদী,দ্বারকেশ্বর, কুমারী,শিলাই, টটকো, যমুনা ছোট বড় সব নদির বুক চিরে তুলে নেওয়া হচ্ছে বালি। সরকারী নিমন নীতির বলাই নেই। প্রশাসনিক উদাসীনতা ও পরোক্ষ মদতে বালি মাফিয়াদের রমরমা বলে অভিযোগ পুরুলিয়াবাসীর। এবার বালি চুরির অভিযোগ সরাসরি করলেন পুরুলিয়ার পুরপ্রধান।
পুরুলিয়া পুরসভার ব্যবস্থাপনায় কাঁসাই নদীতে শিমুলিয়া,তেলেডি, ছোট বলরামপুর এই তিনটি কেন্দ্রে গভীর নলকূপের সাহায্যে জল উত্তোলন করে সরবরাহ হয় পুরুলিয়া শহর ও শহরতলিতে। এদিন পুরপ্রধান অভিযোগ করে বলেন,‘এই তিনটি কেন্দ্রের কাছেই নদীর বুক চিরে অবাধে বালি চুরি হচ্ছে।
ওই এলাকা থেকে কোনও সরকারি অনুমতি ছাড়াই বালি তোলা হচ্ছে। ওই এলাকায় পুরসভার গভীর নলকূপগুলি রয়েছে। বালি তোলার ফলে জলস্তর ওই এলাকার নেমে যাবে।ফলে জল উত্তোলন করা যাবে না। এটা ভয়ংকর রূপ নিতে পারে কয়েক দিনের মধ্যেই। এই সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে জানানো হয়েছে। তাঁরা ততপরতার সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’

0 Comments