বাবা-মায়ের পাশে শুয়ে থাকা অবস্থায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেল ১৫ দিনের শিশু কন্যা। পরে বাড়ির কিছুটা দূরে পুকুর থেকে উদ্ধার হল শিশু কন্যার মৃতদেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শ্যামপুরের মরশাল গ্রামের তেঁতুলতলায়। মৃত শিশুর নাম আরাধ্যা মাঝি।



 জানা গেছে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র শায়ক মাঝির সঙ্গে শিলিগুড়ির বাসিন্দা সোনিয়ার ফেসবুকে আলাপ হয়। পরে দুজনে বিয়ে করে কলকাতায় থাকতে শুরু করে। যদিও লকডাউনের সময় শায়ক স্ত্রীকে নিয়ে শ্যামপুরে চলে আসে। ১৫ দিন আগে দুজনের একটি কন্যা সন্তান হয়। পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোরে  সোনিয়া লক্ষ্য করে আরাধ্যা বিছানায় নেই।





 এরপরে তার চিৎকারে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা প্রতিবেশীরা ছুটে এসে চারিদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কোথাও না পাওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে বাড়ির সামনের পুকুরে ছোট্ট শিশুর মৃতদেহ ভাসতে দেখা যায়। পরে পুলিশে খবর দিলে শ্যামপুর থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের পাঠায় ‌পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।