প্রাথমিক পর্যায়ে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে ভারতের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন কোভ্যাক্সিন। রিপোর্ট জানাচ্ছে প্রথম মানব ট্রায়ালে সফল হয়েছে কোভ্যাক্সিন। এবার শুরু হতে চলেছে কোভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল। আইসিএমআরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই কোভ্যাক্সিন তৈরি করছে ভারত বায়োটেক।এই উদ্যোগে সামিল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি বা এনআইভি। 

যে সব স্বেচ্ছা সেবক এই ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা আদৌ বেড়েছে কীনা, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই রিপোর্ট বলছে, যে স্বেচ্ছাসেবকদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে, তারা সুস্থ রয়েছেন। সুতরাং কোভ্যাক্সিনের এখনও পর্যন্ত কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

এবার দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে বোঝার চেষ্টা করা হবে যে এই ভ্যাকসিন কতটা কার্যকরী করোনা ঠেকাতে। থম ট্রায়ালে অংশ নিয়েছিলেন ৩৭৫ জন। অগাষ্টের মধ্যে এই ট্রায়ালের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট হাতে আসবে বলে জানানো হয়েছে। যদি তা সফল হয়, তবে ২০২১ সালের প্রথম ছমাসের মধ্যে এই ভ্যাকসিন তৈরি করে বাজারে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।দিল্লি এইমসের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর সঞ্জয় রাই জানান এখনও পর্যন্ত কোভ্যাক্সিনের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুঁজে পাওয়া যায়নি। 

এখনও পর্যন্ত একে নিরাপদ বলা চলে। ইতিমধ্যেই দেশের দুটি সংস্থা করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চালাচ্ছে। তাদেরই একটি হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেক।