বিশ্বভারতীর পৌষ মেলার মাঠকে প্রাচীর দিয়ে ঘিরে ফেলা সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে রবিবার সকাল বেলায় বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী সহ ছাত্র-ছাত্রী এবং সাধারণ মানুষ পথে নামলেন। বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী শুভলক্ষ্মী গোস্বামী জানিয়েছেন বর্তমান উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী যেভাবে বিশ্বভারতী পরিচালনা করছেন তা বিশ্বভারতীর পরিপন্থী নয়। একের পর এক গাজোয়ারি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তিনি।





কখনো অধ্যাপকদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে, আবার কখনো ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অতীতে কোন উপাচার্যএই ধরনের বিশ্বভারতীর স্বার্থবিরোধী কাজ করেননি। প্রাক্তনী শুভলক্ষী গোস্বামী অভিযোগ করেন, সকালে তারা যখন মেলার মাঠের প্রাচীর দেওয়ার কাজ চলছে দেখে প্রতিবাদ করেন তখন উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্বভারতীর বহু কর্মী তাকে ঘিরে ধরে কার্যত হেনস্থা করে।




 বিষয়টি নিয়ে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতির পক্ষে শৈলেন মিশ্র অভিযোগ করেন সরকারের নির্দেশ অমান্য করে উপাচার্য জমায়েত করেন মেলার মাঠে। দেশজুড়ে যে মহামারী চলছে তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশিকা জারি করেছে একসাথে ৫০ জনের বেশি কোথাও জমায়েত করা যাবে না সেই নির্দেশ উপাচার্য অমান্য করছেন।



যে কোন মুহূর্তে মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের প্রাণ যেতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করছেন শৈলেন বাবু।  সরকারের নিয়ম ভঙ্গের বিরুদ্ধে উপাচার্যের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে শান্তিনিকেতন থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতির তরফে।




উপাচার্যের হিটলারি শাসনের সামনে নতজানু হয়েছে বিশ্বভারতীর সমস্ত কর্মীবৃন্দ প্রকাশ্যে কেউ মুখ না খুললেও অধ্যাপকদের দাবি মেলারমাঠ ঘিরে ফেলার সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিচ্ছেন না। তবে মেলার মাঠ বাঁচাও কমিটির সদস্যদের দাবি উপাচার্য যদি তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন তবে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলন হবে বিশ্বভারতী জুড়ে ।