চিনি জাতীয় খাবার থেকে সবচেয়ে দ্রুত এনার্জি পাওয়া যায়। আমাদের ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজকেই জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে।
কোন খাবারই ভাল বা খারাপ নয়। খাবারের গুণাগুণ নির্ভর করে এর পরিমিতিবোধের উপর। যেহেতু ডেজার্ট তৈরি হয় ফ্রী সুগার বা বাটার জাতীয় উপাদান দিয়ে তাই পূর্ণবয়স্কদের ক্ষেত্রে এর মাত্রা পরিমিত হওয়া উচিৎ।
মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে একেবারেই বারণ? কখনোই নয়। আনন্দ পেতে বা এক ঘেয়েমি দূর করতে অল্পবিস্তর খেতেই পারেন কখনো কখনো। কেবল সেক্ষেত্রে মনে করে একটু কম ভাত জাতীয় খাবার খেলেন আর বাড়তি হেঁটে চনমনে হয়ে নিলেন।
রাস্তাঘাটে চলাফেরা করার সময় একদম খালি পেটে বের না হওয়াই ভাল। এতে আমাদের শরীরের গ্লুকোজ ঘাটতি পড়তে পারে। এর ফলে অনেকে সেন্সলেসও হয়ে যেতে পারেন। তাই যারা ডায়াবেটিক তারা হাতের কাছে চিনি জাতীয় কিছু যেমন চকলেট বা জুস রাখতে পারেন।
বাজারে এখন অনেক জিরো ক্যালরি সুগার সাপ্লিমেন্ট পাওয়া যাচ্ছে যা একদম চিনির মত না হলেও চিনির কাছাকাছি স্বাদ। এতে যাদের সুগারের সমস্যা আছে তারাও মিষ্টির স্বাদ নিতে পারেন। তবে স্যাকারিন জাতীয় মিষ্টিকারক উপাদান না খাওয়াই ভাল।
অনেক ক্ষেত্রে চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করতে পারেন। মধুর রয়েছে অনেক গুণাগুণ আর স্বাদেও উৎকৃষ্ট।
বাজারে সেই চিনি সচরাচর পাওয়া যায় সেটা হল রিফাইন্ড সুগার যা দেখতে ঝকঝকে সাদা দানাদার। স্বাদে একটু ভিন্নতা আনার জন্য আপনি ব্রাউন সুগার ব্যবহার করতে পারেন। ব্রাউন সুগার খুব একটা রিফাইন্ড হয় না আর এটার আলাদা একটা ফ্লেভার আছে।
পিঠা, পায়েস ইত্যাদি তৈরি করতে চিনির পরিবর্তে ব্যবহার করুন গুঁড়। এতে স্বাদে আসবে বৈচিত্র। খেজুরের গুঁড় পিঠা বানানোর জন্য উৎকৃষ্ট। আবার খেজুরের রস দিয়েও বিভিন্ন পিঠা তৈরি হয়ে থাকে। এছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন আখের গুড় কিংবা তালের গুড়।
চিনির সাথে একটু মাখন বা ঘি এবং সামান্য পানি মিশিয়ে গলিয়ে তৈরি করতে পারেন ক্যারামেল সস যা বিভিন্ন ডেজার্ট তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আইসক্রিমের সাথেও ক্যারামেল সস খেতে পারেন।
ডেজার্ট যেমন কেক, আইসক্রিম ইত্যাদি তৈরি করতে গুঁড়া চিনি, বা আইসিং সুগার ব্যবহার করুন এতে চিনি ভালভাবে মিশবে এবং চিনির দানা জমাট বেঁধে থাকবে না।।
0 Comments