'অপা'কে আজ আবার ভার্চুয়াল ভাবে ডাকা হয় আদালতে জাজের সামনে হাজিরা দেওয়ার জন্য।
এই সময় মনের দুঃখ প্রকাশ করে কাঁদতে থাকেন প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে কাঁদতে দেখে বিচারক বিদ্যুৎ কুমার রায় প্রাক্তন মন্ত্রীকে বক্তব্য জানাতে বলেন।
তিনি তার পরিপ্রেক্ষিতে জানান - "আমি জনসমক্ষে নিজের ভাবমূর্তি নিয়ে খুব চিন্তিত। আমি অর্থনীতির ছাত্র ছিলাম। আমি রাজনীতির শিকার। অনুগ্রহ করে ইডিকে আমার বাড়ি এবং আমার বিধানসভা কেন্দ্রে একবার যেতে বলুন। আমার মেয়ে যুক্তরাজ্যে থাকে। আমি কিভাবে এই ধরনের কেলেঙ্কারীতে নিজেকে জড়াতে পারি?
বাড়ে বাড়ে তিনি জামিন চাইতে থাকেন বিচারকের কাছে। তিনি এর সাথে বলেন "তদন্তকারীরা ৩০ ঘন্টা ধরে তার বাড়ি তল্লাশি করে, কিন্তু কিছুই পায়নি। পার্থ প্রশ্ন তোলেন, কেন তিনি জামিন পাচ্ছেন না?"
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পরেই, অর্পিতাকে বিচারকের সামনে হাজির করা হয়। আদালতে অর্পিতা বলেন, “আমি জানি না আমার সঙ্গে কীভাবে এমন হল? আমি সত্যিই জানি না কীভাবে এবং কোথা থেকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট আমার বাড়ি থেকে এত বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার করল?"
বিচারকের প্রশ্নে অর্পিতা আবার বলেন, "উদ্ধার হওয়া টাকার সাথে কোনও সম্পর্ক নেই আমার। আমি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। আমার বাবা আর নেই।" বিচারকের প্রশ্নের খুব একটা সদুত্তর দিতে পারেন নিন অর্পিতা।
সূত্রের খবর, বেশ কিছু অবৈধ লেনদেনের সন্ধান অনেক সম্পত্তি ও নথির অবস্থানও পাওয়া গেছে। ইডি আদালতে দাবি করেছে, এর মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এখনও পর্যন্ত পাওয়া শতাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও পাওয়া গেছে। ইডি-র আইনজীবী জানায় যে অপাকে জেলে রেখে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

0 Comments