এদিকে রাজস্থান সঙ্কট নিয়ে কংগ্রেস নেত্রী গিরিজা ব্যাস বলেন যে সবাইকে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনে চলতে হবে। ব্যাস বলেন ‘আমাকে শুধু বলতে হবে হাইকমান্ড যা-ই দেয়, দলের লোকজনের তা মেনে চলা উচিত।’ ব্যাস আরও বলেন "দলে শিগগিরই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।"
রাজস্থানের গেহলট গোষ্ঠীর বিধায়কদের পদত্যাগের পর কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং অজয় মাকেন জয়পুরে গিয়েছিলেন। জয়পুর থেকে ফেরার পর উভয় নেতাই কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন। দুই নেতাকেই রাজস্থানের পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি উভয় নেতাকে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন।
অশোক গেহলট কংগ্রেস সভাপতি পদের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন তবে তিনি চান মুখ্যমন্ত্রী পদের কমান্ড তাঁর পছন্দের ব্যক্তির হাতে দেওয়া হোক। একইসঙ্গে সূত্র বলছে কংগ্রেস এই বিষয়ে এখনও কোনও বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে না। সভাপতি পদে মনোনয়ন না দেওয়া পর্যন্ত দলের নেতাদের স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে বলা হয়েছে।
উভয় পর্যবেক্ষক তাদের রিপোর্ট কংগ্রেস সভাপতির কাছে জমা দেবেন। গেহলট-পন্থী কিছু নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে কি না জানতে চাইলে কংগ্রেসের একজন প্রবীণ নেতা বলেন "দল যদি রবিবারের ঘটনাকে শৃঙ্খলাহীন বলে মনে করে, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।"
গেহলটের অনুগতরা রবিবার সন্ধ্যায় স্পিকার সিপি জোশীর কাছে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং মুখ্যমন্ত্রী দলের সভাপতি নির্বাচিত হলে গেহলট শিবির থেকে কাউকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে চাপ দিয়েছিল।

0 Comments