৮ এপ্রিল শুক্রবার বিকাশশীল ইনসান পার্টির (ভিআইপি) ৫০ জনেরও বেশি নেতা বিজেপির বিহার ইউনিটে যোগ দিয়েছেন। রাজ ভূষণ চৌধুরীর নেতৃত্বে ভিআইপি নেতারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দর যাদব, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই, উপ-মুখ্যমন্ত্রী রেনু দেবী এবং বিজেপি বিহারের সভাপতি সঞ্জয় জয়সওয়ালের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগদান করেন।

জয়সওয়াল দাবি করেন যে ভিআইপির ৯০ শতাংশ তৃণমূল কর্মী আগামী ১০ দিনের মধ্যে জাফরান পার্টিতে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন “এই নেতারা ভিআইপি তৈরিতে খুব পরিশ্রম করেছেন। ভিআইপি প্রধান মুকেশ সাহানীর ভুল নীতির কারণে নেতারা দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। রাজ ভূষণ চৌধুরী ২০২০ সালে ভিআইপি থেকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং তিনি দলের জাতীয় কোষাধ্যক্ষও ছিলেন। বিকাশশীল ইনসান পার্টি তৈরিতে তাঁর ভূমিকা অপরিসীম ছিল।"

বিজেপির শীর্ষ নেতারা যেভাবে ভিআইপি নেতাদের বিজেপির ভাঁজে স্বাগত জানাচ্ছেন তাতে মনে হচ্ছে বিজেপি মুকেশ সাহানিকে বিহারের রাজনীতি থেকে মুছে ফেলতে চায়। ভিআইপি ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের (এনডিএ) মিত্র হিসেবে লড়েছিলেন। বিজেপি তার নিজস্ব কোটা থেকে ভিআইপিকে ১১টি আসন দিয়েছিল কিন্তু পরবর্তীটি মাত্র চারটি আসন জিততে সক্ষম হয়েছিল।

সাহানি নির্বাচনে হেরে গেলেও তাকে বিজেপি কোটা থেকে এমএলসি পদ দেওয়া হয়েছিল এবং ক্যাবিনেট মন্ত্রী পদও দেওয়া হয়েছিল। সাহানিকে ২৮শে মার্চ বরখাস্ত করা হয় তার তিনজন বিধায়ক জাফরান দলে চলে যাওয়ার পরে।

সাহানি উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে নিজে থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এবং জাফরান দলের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানোর পরে বিজেপি এবং ভিআইপি-র মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। এমনকি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধেও অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন সাহানি।