সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচন নিয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ করেন। কারণ আগ্রার ফতেহাবাদ নির্বাচনী এলাকার সুরেন্দ্র সিং নামে একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বলেছে যে তিনি এসপিকে ভোট দিতে চান, কিন্তু দুই দিন আগে পোস্টাল ভোটের সময় তা করতে দেওয়া হয়নি।

সুরেন্দ্র দাবি করেন ৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার সেক্টর ম্যাজিস্ট্রেট বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ভোটার এবং অন্যান্য গ্রামবাসীদের ভোটদানকারী দলের সঙ্গে তর্ক করার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে জেপি পান্ডে এসডিএম ফতেহাবাদকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে "একটি ভোট পার্থক্য করে না"।

ট্যুইটারে ভিডিওটি শেয়ার করে অখিলেশ এসপি-আরএলডি জোট সমর্থক এবং কর্মীদের ভোটের সময় সতর্ক থাকতে বলেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেলা প্রশাসন। ঘটনাটিকে "কারচুপির ঘটনা" হিসাবে অভিহিত করে অখিলেশ একটি ট্যুইটে বলেন যে এটি একটি গুরুতর বিষয়। যোগ করে বলেন "ইসির কাছ থেকে আশা করা যায় যে এই ধরনের কর্মকর্তাদের অবিলম্বে চিহ্নিত করা উচিত এবং বরখাস্ত করা উচিত।"

জগরাজপুর গ্রামের একদল লোক কথিত জোরপূর্বক ভোটগ্রহণের প্রতিবাদ করার পর পুলিশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ডাকা হয়। এদিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সুরেন্দ্র বলেন "স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে মিডিয়ার সঙ্গে কথা না বলার জন্য। আমার পরিবার ভয় পাচ্ছে।

জোরপূর্বক ভোট দেওয়ার অভিযোগকে "রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন" বলে অভিহিত করে আগ্রার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রভু নারায়ণ সিং বলেন "সুরেন্দ্র সিং নিজেই ভোট দিয়েছেন। আমাদের কাছে তার ভোটের কর্মীদের থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে যাওয়ার ভিডিও রেকর্ডিং আছে। ইসি কর্তৃক নিযুক্ত মাইক্রো-অবজারভারও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। একটি প্রতিবেদন ইসির কাছে পাঠানো হয়েছে।"

রবিবার আগ্রায় প্রতিবন্ধী এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের জন্য রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালট পেপার ব্যবহার করে দুই শ্রেণীর মানুষকে ভোট দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইসি। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরপ্রদেশে প্রথম দফার ভোট শুরু হবে। ১০ মার্চ ফলাফল ঘোষণা করা হবে।