রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৩ ডিসেম্বর সোমবার ২০০১ সালের সংসদে হামলায় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে লড়াইয়ে জীবন দিয়েছে এমন নিরাপত্তা কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

কোবিন্দ ট্যুইট করে বলেন "আমি সেই সাহসী নিরাপত্তা কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই যারা ২০০১ সালের এই দিনে তাদের জীবন দিয়েছিলেন, একটি জঘন্য সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের সংসদকে রক্ষা করেছিলেন৷ জাতি তাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের জন্য চিরকাল তাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে৷"

সাহসীদের স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করে বলেন "২০০১ সালে সংসদে হামলার সময় কর্তব্যরত অবস্থায় শহীদ হওয়া নিরাপত্তা কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। জাতির প্রতি তাদের সেবা এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ প্রতিটি নাগরিককে অনুপ্রাণিত করে।"

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ হিন্দিতে ট্যুইট করে বলেন "আমি সমস্ত সৈন্যদের সাহস ও বীরত্বকে সালাম জানাই, যারা কাপুরুষ সন্ত্রাসী হামলায় ভারতীয় গণতন্ত্রের মন্দির, সংসদ ভবনকে রক্ষা করার জন্য তাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন। আপনার অতুলনীয় বীরত্ব এবং আত্মত্যাগ আমাদের সর্বদা জাতির সেবা করতে অনুপ্রাণিত করবে।"

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ট্যুইট করেন "সেই সাহসী নিরাপত্তা কর্মীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি যারা ২০০১ সালে সংসদ ভবনে হামলার সময় তাদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। জাতি তাদের সাহসিকতা এবং কর্তব্যের লাইনে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের জন্য কৃতজ্ঞ থাকবে।"

হামলার 20 তম বার্ষিকীতে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সাহসী হৃদয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সংসদ চত্বরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপ-রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডু, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজান্ত সিং, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী, রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি, প্রমুখ। মুখতার আব্বাস নকভি, অর্জুন রাম মেঘওয়াল সহ অন্যরা হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জনান। এছাড়া নিহতদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।