কলকাতা পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিজেপির দাবী খারিজ কলকাতা হাইকোর্টের। বিচারপতি রাজশেখর মন্থার সিঙ্গেল বেঞ্চ বলেছেন যে, অ্যাডভোকেট জেনারেলের আশ্বাসই যথেষ্ট।যেহেতু রাজ্য কমিশন মনে করে না যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন আছে, তাই বর্তমানে বাহিনীর দাবী প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে। তাই কলকাতা পৌর কর্পোরেশনের নির্বাচন এখন রাজ্য পুলিশের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হবে।


শুনানিকালে বলা হয়, ১৪৪ প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৪ জন অভিযোগ করেছেন। ১৩ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র সচিবসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠকে সুষ্ঠু ভোটের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কলকাতায় নির্বাচন পরিচালনার জন্য যথেষ্ট বাহিনী রয়েছে। রাজ্যের তরফে জিপি অনির্বাণ রাই বলেন, এটি কোনও জনস্বার্থ মামলা নয়। রাজ্যের পুলিশ যে নির্বাচন করতে পারে না, তা নয়।


মামলার শুনানি চলাকালীন আইনজীবী এস কে কাপুর বলেন, মানুষ পথে বের হতে ভয় পায়। 80% মানুষ ভোট দিতে পারে। ভয় কমাতে পুলিশকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। কমিশনের কৌঁসুলি রতাঙ্ক ব্যানার্জী বলেছেন যে, এটি মাত্র চারজনের অভিযোগ, যারা পুলিশ কমিশনারকে জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেননি। সুপ্রিম কোর্টেও গিয়েছিলেন তিনি। 11 ডিসেম্বর তাকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। 


রাজ্য নির্বাচন কমিশন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে একটি চিঠি লিখে জানিয়েছিল যে, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশনের নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন নয়, কলকাতা পুলিশের তত্ত্বাবধানে হবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস রাজ্যপালকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, কলকাতা পৌর কর্পোরেশন নির্বাচন কলকাতা পুলিশের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের কোনও প্রস্তাব নেই। 


কলকাতার পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই তাঁর তরফে কমিশনের কাছে নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আসন্ন কলকাতা পৌরসভা নির্বাচনে নিরাপত্তার জন্য রাজ্য পুলিশও কলকাতা পুলিশের সঙ্গে থাকবে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য যথেষ্ট বাহিনী রয়েছে কলকাতা পুলিশের। এবারের নির্বাচনে যাতে নিরাপত্তার ঘাটতি না হয় সেজন্য এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সে অনুযায়ী বাহিনী গঠন করা হচ্ছে।