গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য হাওড়ায়। অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি আত্মঘাতী হন। মৃতার নাম লক্ষ্মী দাস। তাঁর স্বামী সঞ্জীব দাস পেশায় টোটোচালক। এদের একটি সন্তান রয়েছে। মৃতার বাপের বাড়ির অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ির নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন লক্ষ্মী।



জানা গেছে, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে আত্মঘাতী হন ওই তরুণী গৃহবধূ। বেলুড়ের লালাবাবু শায়র রোডে ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে বিয়ের পর থেকেই নিয়মিত মানসিক নির্যাতন ও মারধর করা হত বধূকে। এমনই অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদেরও। লক্ষ্মী দাস নামের ওই তরুণী কয়েকদিন আগে স্বামী সঞ্জীব দাসের মারধর ও অত্যাচারে



বছর তিনেকের শিশুকন্যাকে নিয়ে নিশ্চিন্দা থানার অন্তর্ভুক্ত চাঁদমারিতে বাপের বাড়িতে চলে যান। সেখানেই বুধবার রাতে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। রাতেই নিশ্চিন্দা থানায় স্বামী সঞ্জীব দাস ও  শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ জানান তরুণীর বাপের বাড়ির লোকজন।


 পেশায় টোটো চালক স্বামী সঞ্জীব দাস পলাতক। মৃতার স্বামী এবং শ্বশুর শাশুড়ির বিরুদ্ধে  নির্যাতন ও আত্মঘাতী হওয়ার জন্য প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মৃতার পরিবার।