মাঝে মধ্যেই করোনা রোগিদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।কখনও লালারস দেওয়ার পরেও রিপোর্ট দেড়িতে আসায় সমস্যার সন্মুখিন হচ্ছেন।আবার কখনও এম্বুলেন্স দেড়িতে আসায় পায়ে হেটে হাসপাতালে আসতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।বৃহস্পতিবারও দত্তপুকুরে এক পৌঢ়ার এই ভাবেই মৃত্যু হয়েছে।দত্তপুকুরের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে করোনা সন্দেহজনক রোগীদের সু চিকিৎসার জন্যই বারাসত হাসপাতালেই তৈরী করা হয়েছে পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য দুটি আইসোলেশন ওয়ার্ড। আগে সন্দেহ জনক রোগীদের হয় কদম্বগাছি নয়তো ব্যারাকপুর বা রাজারহাটের কোভিড হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হত।




কিন্তু শুক্রবার থেকে বারাসত হাসপাতালেই সন্দেহজনক কোভিড রোগিদের ভর্তির ব্যাবস্থা হয়েছে।পুরুষ এবং মহিলা মিলিয়ে মোট ৫০ বেডের আইসোলপশন ওয়ার্ড তৈরী হয়ে গিয়েছে।এদিনই এই আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১৫ জন রোগির চিকিৎসা শুরু হয়েছে।বারাসত হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে পুরুষ এবং মহিলা আইসোলেশন ওয়ার্ডের প্রত্যেকটিতে ৫ টি করে মোট ১০ টি ভেন্টিলেটর মেশিন রাখা হয়েছে।এর পাশাপাশি ডায়ালেসিস, বাইপ্যাপ, নেবুলাইজার মেশিন সহ পালস অকজিমিটার সহ অক্সিজেনের ব্যাবস্থাও করা হয়েছে। 




জ্বরের উপসর্গ নিয়ে দেখাতে আসা রোগিদের  বারাসত হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসকদের করোনা সন্দেহজনক মনে হলেই  তাদের ভর্তি করানো হবে আইসোলেশন ওয়ার্ডে।সোমবার থেকে শনিবার প্রত্যেক দিনই স্যাম্পেল পরিক্ষা হয়।আইসোলেশনে ভর্তি রোগিদের মধ্যে কারোর রিপোর্ট পজেটিভ হলে আক্রান্তদের কোভিড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে বারাসত হাসপাতাল কতৃপক্ষের দায়িত্বেই।