স্বামীর সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না, তাই  প্রতিকারের আশায় পশ্চিমবঙ্গের  মছলন্দপুরের শিমুলপুর নিবাসী তান্ত্রিক সুমন হরির কাছে গিয়েছিলেন  স্থানীয় এক গৃহবধূ। অভিযোগ, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে যুক্ত হয় সুমন। অভিযোগে উঠে আসে, ওই গৃহবধুকে নিয়ে  তারাপীঠেগিয়ে তন্ত্র সাধনার জন্য হোটেলে তুলে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে সে।




অভিযোগকারিণী বলেন, প্রথমে আমার  এক আত্মীয়ার কাছ থেকে জানতে পারি সুমন তন্ত্রসাধনার মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দেন।  সেই বিশ্বাস নিয়ে আমার স্বামীকে কাছে পাওয়ার আশায় সুমনের কাছে যাই। পরে ওর কুমতলব  ধরতে পারি।  আমি ওর কঠিনতম শাস্তি চাই।




অবশ্য গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত তান্ত্রিক সুমন বলেন,  এই ঘটনা পুরোপুরি সাজানো আমি ওদের কাছে টাকা ধার দিয়েছিলাম তা আদায় করতে গিয়েই আমাকে ফাঁসিয়ে দেয়।  এদিকে এই ঘটনায় অভিযোগকারীনি গৃহবধুর অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রাফতার করা হয় ওই তান্ত্রিককে।