ভাগীরথীর জল থেকে এক বধূকে উদ্ধার করলেন কয়েকজন ব্যাক্তি। তবে ওই বধূ দিব্যি সুস্থ আছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ভাগীরথীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই ওই বধূ। পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম থানার উদ্ধারণপুর ঘাটে ঝাঁপ দেওয়ার পর ওই বধূ প্রায় আড়াই কিলোমিটার নদীর স্রোতে ভাসতে ভাসতে আসেন।



স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন দুপুর দেড়টা নাগাদ শাঁখাই ফেরিঘাটে কতর্ব্যরত জলসাথী কর্মী প্রশান্ত মণ্ডলের প্রথমে নজরে পড়ে মাঝনদীতে এক মহিলা হাবুডুবু খাচ্ছেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ফেরিঘাটের কর্মী সাগর দাস ও প্রশান্ত রাজবংশীকে বলেন।  ফেরিঘাটে তখন একটি নৌকা নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন নিরঞ্জন বর্মণ ও তাতাই রায় নামে দুই মাঝি। ওই নৌকায় পাঁচজন মিলে তরিঘরি মোটরচালিত নৌকা নিয়ে মাঝগঙ্গায় পৌছে যান।




 মহিলার উদ্দেশ্যে বাঁশ ও লাইফ জ্যাকেট এগিয়ে দেওয়া হয়। তারপর তাকে টেনে নৌকায় তোলা হয়। মহিলা নিজেই জানান তিনি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তবে কি কারনে তিনি আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন তানিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।




পুলিশকে খবর দেওয়ার পর পুলিশ মহিলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। তবে মহিলা বেশি কথা বলতে চাইছেন না। জানা যায়, তাঁর বাড়ি বীরভূম জেলার নানুর থানার আলিগ্রামে।