চকোলেট তো সবারই পছন্দ। আর তা যদি হয় চকো বল তাহলে তো কথাই নেই। নামী দামী কেক এর দোকানে থরে থরে সাজানো থাকে মজাদার চকো বল। আকর্ষণীয় সাজ-সজ্জাও থাকে সেগুলোতে। কিন্তু সেগুলো মন ভরে খেতে গেলে পকেটও খালি হয়ে যায়।
তাই অনেকেই হয়তো ভাবছেন চকো বল বাসায় বানানো গেলে ভালো হতো। যারা বাসায় বানানো চকো বল খেতে চান তাদের জন্য সুখবর হলো খুব সহজেই এটা বাসায় বানানো সম্ভব। তাহলে এবার এক নজরে দেখে নিন চকো বলের রেসিপি।
পুষ্টিগুন –
১০০ গ্রাম চকলেটে আছে ১৬.৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২১.৫ গ্রাম প্রোটিন, ১১ গ্রাম ফ্যাট, ৩৪ গ্রাম হজমযোগ্য আঁশ, ৭ থেকে ১৮ গ্রাম পলিফেনল, ২.৫ গ্রাম থিয়োব্রোমিন ইত্যাদি। ডাইজেস্টিভ বিস্কুটে আছে কার্বহাইড্রেড এবং বাদামে আছে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন-এ, বি, সি
উপকরণ –
২০-২২ টি ডাইজেস্টিভ বিস্কুট
৫ টেবিল চামচ কোকো পাউডার
৫ টেবিল চামচ শুকনো নারিকেলের গুড়া (ঐচ্ছিক)
চিনা বাদাম গুঁড়া- ৫ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক)
অর্ধেক টিন কনডেন্সড মিল্ক।
চকোলেট (সাজানোর জন্য)
বাদাম গুড়া (সাজানোর জন্য)
এছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন সুইট বল, চেরির টুকরো সহ পছন্দ মতন অনেক কিছুই।
প্রস্তুত প্রণালী –
বিস্কুটগুলোকে বেটে মিহি গুঁড়া করে নিন।
বিস্কুটের গুঁড়া, কোকো পাউডার, বাদাম বা শুকনা নারিকেলের গুড়া ও কনডেন্সড মিল্ক এক সাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
মিশ্রণটি এমন হতে হবে যেনো সহজেই বলের আকৃতি দেয়া যায়।
সবটুকু মিশ্রন দিয়ে বল বানানো হয়ে গেলে ৩০ মিনিট ফ্রিজে রাখুন সেট হবার জন্য। এই ফাঁকে ভালো চকোলেট সাবধানে গলিয়ে নিন। চাইলে ব্যবহার করতে পারেন চকলেট সিরাপও।
ফ্রিজ থেকে বের করে চকলেট বল গুলো গলিত চকলেটে ডুবান, তারপর বাদাম/ নারিকেল গুঁড়ো, কিংবা সুইট বলের ওপরে ভালো করে গড়িয়ে নিন। বলেড় গায়ে গুঁড়ো বা সুইট বল লেগে বেশ সলিড একটা আকার পাবে। আবার ৩০ মিনিট ফ্রিজে রাখুন। সেট হয়ে গেলে পরিবেশন করুন মজাদার চকো বল।
জন্মদিনের পার্টিতে অথবা বিকালের নাস্তায় চকো বল বানিয়ে পরিবেশন করুন। বাচ্চাদের কাছে তো বটেই বড়দের কাছেও প্রশংসা পাবেন। বেশি করে বানিয়ে রাখতে চাইলে ফ্রিজে রেখে দিন। প্রায় ১ সপ্তাহ ভালো থাকবে। তাহলে আজই বানিয়ে ফেলুন মজাদার চকো বল।

0 Comments