দূর্নীতির অভিযোগ তুলে ছয় পঞ্চায়েত তৃণমূল কংগ্রেস দল থেকে পদত্যাগ করলেন। তৃণমূল ছাত্রপরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনে এমন নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলার দেগঙ্গায়।
তৃণমূল সূত্রের খবর, দেগঙ্গার চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হুমায়ুন রেজা চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে ইস্তফা পত্র পাঠান, দেগঙ্গা চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের নম্বর সংসদের সদস্যা হাফিজা বিবি, ১৩ নম্বর সংসদের সদস্যা বিনা মন্ডল, ১৪ নম্বর সংসদের সদস্যা মুসলিমা বিবি, ১২ নম্বর সংসদের সদস্য ইছা হক লস্কর ১৫ নম্বর সংসদের সদস্য শেখ মমিন উল্লাহ, এবং ১৮ নম্বর সংসদের সদস্যা মমতাজ বিবি খাতুন।
দেগঙ্গার চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের এই ৬ জন পঞ্চায়েত সদস্যের অভিযোগ অস্বীকার করে চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হুমায়ুন রেজা চৌধুরী বলেন, যারা আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সমস্ত সংসদে পঞ্চায়েত থেকে কাজ হয়েছে আর তার সরকারি প্রমাণপত্র আমার কাছে রয়েছে। জেলার সভাপতি ও বিডিওর কাছে অনুরোধ করবো বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিন। সরকারি বিধি ও পঞ্চায়েতী ব্যবস্থা মেনে চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পঁচিশটি সংসদে উন্নয়ন করে চলেছি।যে ছয় জন পঞ্চায়েত সদস্য দল থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে দলকে ক্ষতি করতে চাইছে। তাই দল তদন্ত করে আমাকে যে শাস্তি দেবে আমি মাথা পেতে নেব।
অন্যদিকে ছয় পদত্যাগ করা পঞ্চায়েতের অভিযোগ পঞ্চায়েত গঠনের পর থেকে তারা পঞ্চায়েত থেকে কোনো সুযোগ সুবিধা পাননি। এমনকি পঞ্চায়েত প্রধান হুমায়ুন রেজা চৌধুরী পঞ্চায়েতের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতি করেছেন এবং টেন্ডারের ব্যাপারেও তাদের এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ । অভিযোগ, রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, ইনকাম সার্টিফিকেট সহ কোন কিছুই ওই পঞ্চায়েত সদস্যরা পাননা। যার জেরে ছয় জন পঞ্চায়েত সদস্য দল থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।

0 Comments