:-দু’টি বান রুটির মধ্যে পছন্দসই পুর! ব্যস তৈরি স্যান্ডউইচ। পৃথিবী জুড়ে স্যান্ডউইচ অন্যতম জনপ্রিয় খাবার। কিন্তু জানেন কি, কোন সাতটি স্যান্ডউইচ তার নিজ গুণে পৃথিবী বিখ্যাত?
ডোনার কাবাব, টার্কি: ১৯৪০ নাগাদ তুরস্কের বাসিন্দা কাদির নারমান প্রথম এই স্যান্ডউইচ বানান। স্পেনের বার্সেলোনা শহরেই এটি প্রথম তৈরি হয়। পরে বার্লিনেও কাদির এই স্যান্ডউইচ বানালে তা লোকের মুখে মুখেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ব্যস্ত জীবনে রুটি আর মাংস পরিপাটি করে না খাওয়ার সময় পেয়ে রুটির সঙ্গে সবজি, অল্প মাংস এবং সস দিয়ে কাদির বানান এই খাদ্যটি।
গ্যাটসবি, সাউথ আফ্রিকা: চার টুকরো পাউরুটিকে সম্বল করেই কেপ টাউনে এই স্যান্ডউইচ বানানো হয়। ১৯২৫-এ আমেরিকান লেখক এফ স্কট ফিজগের্যাল্ডের ‘দ্য গ্রেট গ্যাটসবি’ উপন্যাস প্রকাশিত হলে সেখান থেকেই এই স্যান্ডউইচের নাম দেওয়া হয়। লেটুস, সসেজ ভাজা এবং সসের জন্য এই স্যান্ডউইচ বিশ্ববিখ্যাত।
বড়া পাও, ভারত: রুটির মধ্যে ভাজা আলুর পুর ভরে তার উপরে রসুনের চাটনি ছড়ানো। এই এক রেসিপিই মুম্বইয়ের রাস্তায় খাদ্য বিপ্লব শুরু করে। মুম্বইয়ের ফুটপাত থেকেই এটি পৃথিবীর নানা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
দ্য ফিলি চিজস্টিক, ইউএসএ: এটি ১৯৩০ সালে ফিলাডেলফিয়ায় দুই বন্ধু প্যাট ও হ্যারি অলিভিয়ারি মিলে এই স্যান্ডউইচ তৈরি করেন। দু’টি বানের মধ্যে বিফ ও গলানো চিজ দিয়ে তৈরি করা হয় এই স্যান্ডউইচ। এর উপরে অনেকেই ছড়ান পিঁয়াজ ভাজা, মাশরুম বা লঙ্কা।
বান মি, ভিয়েতনাম: মজার এই নামে ভিয়েতনামের স্যান্ডউইচটি খুব জনপ্রিয়। মূলচ পর্ক সসেজ, সবজি, শসা দিয়ে তৈরি এই স্যান্ডউইচের উপরে চিজ, জালাপেনো ও মায়োনিজ এক সঙ্গে ছড়িয়ে পরিবেশন করা হয়। খুব নরম পুরের এই স্যান্ডউইচটির চাহিদা বিপুল।
ক্রোক মসিয়োঁ, ফ্রান্স: যাঁরা এই স্যান্ডউইচ একবার খেয়েছেন, তাঁদের দাবি, পৃথিবীর সেরা ব্রেকফাস্ট স্যান্ডউইচের অন্যতম এটি। পাউরুটির ভিতরে হ্যাম, গলানো চিজ, মেয়োনিজ দিয়ে এই স্যান্ডউইচ তৈরি করা হয়। এর ওপরে ছড়ানো হয় চিজ বা ওমলেট।
চিপ বাটি, যুক্তরাজ্য: ইংরেজদের পছন্দের এই স্যান্ডউইচ বানানো খুব সহজ। সাধারণত, রাতের খাবার হিসাবে একে তাঁরা ব্যবহার করে থাকেন। পাউরুটির টুকরোর গায়ে মাখন লাগিয়ে মাঝে মোটা মোটা চিপস দিয়ে প্যাক করা হয় এই স্যান্ডউইচ। উপর দিয়ে পছন্দের সস যোগ করা হয়।এই স্যান্ডউইচ বিশ্ব জুড়ে বেশ জনপ্রিয়।
0 Comments