আমফানের শিকার ফিরোজা
ঝড়ে গৃহহীন অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ফিরোজা খাতুন করোনা ভাইরাস থেকে আমফান ঝড় মানুষ কে পথে বসিয়েছে। ঘটকপুকুর পাড়ার মোল্লা পাড়ার বাসিন্দা আরেদ আলি মোল্লা পেশায় ভ্যানচালক। আজ সপরিবারে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। লকডাউনের বাজারে নিজের পেশা টুকু হারিয়েছেন। কিভাবে ঘর সরাবেন ভেবে পাচ্ছেন না। মেয়ে ফিরোজা খাতুন কিভাবে পড়াশোনা করবে ভেবে কুল কিনারা পাচ্ছে না। গ্রামের যুবক কুদ্দুস সরদার ত্রিপল দিয়ে সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দেয়। পাশে ছাদ বিহীন ইটের ঘরে ত্রিপোলের ছাউনি দিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই করেছেন। আরেদ আলী মোল্লা বলেন বাবু আমরা গরীব মানুষ কি করে ঘর বাধবো টাকা পয়সা হাতে নেই। সরকার যদি আমাদের সাহায্য করলে ঘরটি মেরামতি করতে পারবো। মেয়ে পড়াশোনা করতে পারবে। মেযে ফিরোজা খাতুন বলে আমাদের ঘর ঝড়ে উড়ে গিযেছে পাশে একটি ছাদ বিহীন ঘরে ত্রিপল দিয়ে ঝাউনি করে আছি। পড়াশোনা করতে পারছিনা। সরকার আমাদের একটি ঘর থেকে ভালো হয়। কুদুস মোল্লা বলেন আমাদের মোল্লা পাড়ার গ্রামে এই পরিবারটি গরীব পরিবার। সরকার আর্থিক অনুদান দিলে ঘরটি সারাতে পারবে। মেয়েটি পড়াশোনা করতে পারবে।